নির্মাণকাজ শেষ হতে না হতেই উঠে গেছে সড়কের কার্পেটিং। নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার কিশোরগঞ্জ-ভিন্নজগৎ সড়কের সদর ইউনিয়নের ছিটরাজির ব্রিজের মোড় হতে ছকির বাজার পর্যন্ত সড়কের এমন অবস্থা। এলাকাবাসীর অভিযোগ সড়কটি নির্মাণের সময় নিম্নমানের বিটুমিনসহ অন্যান্য উপকরণ ব্যবহার করায় দ্রুত কার্পেটিং উঠে যাচ্ছে।
উপজেলা প্রকৌশল অফিস সূত্রে জানা গেছে, ২০২১-২২ অর্থ বছরে গ্রামীণ সড়ক সংরক্ষণ রক্ষণাবেক্ষন মেরামত বাজেটের অধীনে কিশোরগঞ্জ সদর ইউনিয়নের ছিটরাজিব ক্যানেলের ব্রীজ (০০ থেকে ২৯২০) হতে ছকির বাজার পর্যন্ত প্রায় তিন কিলোমিটার সড়ক সংস্কারের জন্য ৯৯ লাখ ৩ হাজার ৭৪২ টাকা বরাদ্দ ধরে দরপত্র আহ্বান করা হয়। দরপত্রের মাধ্যমে কাজটি পায় নীলফামারী জেলা শহরের উকিলের মোড়ের ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মেসার্স তাহসিন কনস্টাকশন। ঠিকাদার গত এক সপ্তাহ আগে সড়কটির নির্মাণ কাজ শেষ করেন।
সোমবার সরেজমিনে দেখা যায়, সদ্য নির্মিত সড়কটির মুশা সরকারি কমিউনিটি ক্লিনিকের সামনে হতে কাশেমের বাজার পর্যন্ত সড়কটির বিভিন্ন স্থানের কার্পেটিং উঠে গেছে।
কিশোরগঞ্জ সদর ইউনিয়নের নব-নির্বাচিত চেয়ারম্যান হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী গ্রেনেট বাবু বলেন, সড়কটি নির্মাণের সময় নিম্নমানের বিটুমিন ব্যবহার করার কারণে এক সপ্তাহের ব্যবধানে সড়কটি বিভিন্ন স্থানে কার্পেটিং উঠে গেছে।
সড়ক নির্মাণ কাজের ঠিকাদার মোজাফ্ফর হোসেন বলেন, সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী সড়কের নির্মাণকাজ করা হয়েছে। এখানে কোন অনিয়ম হয়নি।
কতদিন আগে সড়কের নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, ৪ থেকে ৫ দিন আগে। চার পাঁচ দিনের মধ্যে কার্পেটিং উঠে গেল কেন প্রশ্ন করলে তিনি বলেন কেন এমন হল আমি খোঁজ নিয়ে দেখছি।
উপজেলা প্রকৌশলী মাহমুদুল হাসানের সাথে কথা বললে তিনি বলেন, সড়ক নির্মাণকাজে সোলডার প্রটেকশনের জন্য সরকারিভাবে কোন বরাদ্দ না থাকার কারণে এবং অতিরিক্ত লোডের গাড়ি চলার কারণে এমনটি হয়ে থাকতে পারে।
