মির্জাপুরে মাদক ব্যবসা এখন জমজমাট। নানা কৌশলে চলছে জুয়ার আসর। পাড়ামহল্লা ও অলিগলিতে মাদক বিক্রি। বাড়ছে চুরি, ডাকাতি ও ছিনতাই। অভিযোগ উঠেছে মাদকের নিরাপদ জোন পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ড।
উপজেলার ১৪ ইউনিয়নেও একই অবস্থা। হাত বাড়ালেই পাওয়া যাচ্ছে ইয়াবা ট্যাবলেট, হেরোইন, ফেনসিডিল, গাঁজা, দেশি-বিদেশি মদ, বাংলা ও চোলাই মদ। রবিবার দুপুরে আজগানা ইউনিয়নের ব্রিজ নির্মাণকাজের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে মাদক এবং জুয়ার বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা দিয়েছেন খান আহমেদ শুভ এমপি, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. হাফিজুর রহমান এবং অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আলম চাঁদ। অনুষ্ঠানে প্রশাসন, রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী ছাড়াও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি উপস্হিত ছিলেন।
এ ব্যাপারে খান আহমেদ শুভ এমপি বলেন, ১৬ জানুয়ারি উপনির্বাচনে মির্জাপুরবাসী আমাকে বিপুল ভোটে এমপি নির্বাচিত করেছেন। সামনে আমার ৬০০ দিন সময়। এর মধ্যে আমি মির্জাপুরকে সব দিক থেকে উন্নয়নের চেষ্টা করে যাচ্ছি। প্রথম কাজ হচ্ছে মির্জাপুরকে মাদক মুক্ত করা। আমি প্রশাসনের কর্মকর্তা, পৌরসভার মেয়র, ১৪ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান-মেম্বরসহ দলমত নির্বিশেষে সকলের সার্বিক সহযোগিতায় মির্জাপুরকে মাদক মুক্ত করতে চাই। মাদক ও জুয়ার সঙ্গে যারা জড়িত তাদের কোনো অবস্থায় ছাড় দেওয়া হবে না।
মির্জাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আলম চাঁদ বলেন, মির্জাপুরকে মাদক মুক্ত করার জন্য উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক দলের নেতা, সচেতন মহল ও অভিভাবকদের সমন্বয়ে নানা উদ্যোগ নেওয়া হবে। মাদক ও জুয়াড়িরা যত শক্তিশালীই হোক কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. হাফিজুর রহমান বলেন, মাদক ব্যবসায়ী ও জুয়াড়িদের বিরুদ্ধে অভিযোগ পেলেই মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে জরিমানা এবং কারাদণ্ড দিয়ে জেলহাজতে পাঠানো হচ্ছে। তাদের মোবাইল কোর্ট চলমান থাকবে।
