মঙ্গলবার দুপুরে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজ বিজ্ঞান অনুষদের মিলনায়তনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবসের আলোচনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে চবি শিক্ষক সমিতি। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় মিলনায়তনে আমন্ত্রিত প্রধান অতিথি হিসেবে সে সময় বক্তব্য দিচ্ছিলেন যোগাযোগমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলছিলেন ছাত্রলীগের বিভক্তির কথা। ঠিক সে সময় মিলনায়তনের বাইরে সংঘর্ষে লিপ্ত ছাত্রলীগের দুপক্ষ।
যোগাযোগ মন্ত্রী তার বক্তব্যে বলছিলেন, “এখানে ছাত্রলীগ নিজেদের মধ্যে মারামারিতে ব্যস্ত। গত কয়েকদিন নিজেদের মধ্যে মারামারি থেকে শুরু করে শেষ পর্যন্ত পুলিশ পিটিয়েছে। এখানে ছাত্রলীগ বিভক্ত, বিরোধীরা এক। একারণেই বিরোধী শক্তি কিছুদিন আগে তাদের ওপর হামলা করার সুযোগ পেয়েছে। দেখা যাবে ঢাকা পর্যন্ত পৌঁছানোর আগেই ছাত্রলীগের দু’পক্ষে সংঘর্ষ লেগে গেছে।
ছাত্রলীগের দু পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনার পর রেলক্রসিং এলাকায় অবরোধের মুখে পড়ে মন্ত্রীর গাড়িবহর। এ সময় এমনকি প্রক্টরের গাড়ি ও বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের বাসেও ভাংচুর চালায় ছাত্রলীগ কর্মীরা। অবরোধে আটকে পড়া শিক্ষক বাসগুলো লক্ষ্য করে ঢিল ছোড়ে অবরোধকারীরা। এতে একটি শিক্ষক বাসের সামনের কাঁচ ভেঙ্গে যায়। এসময় প্রক্টর সিরাজ-উদ-দৌলাহর গাড়িও ভাংচুর করা হয়।
সিরাজ-উদ-দৌলাহ সাংবাদিকদের বলেন, “আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের এক শিক্ষার্থী ছাত্রলীগ কর্মী জিয়াকে আমার গাড়িতে করে নিরাপদ স্থানে নিয়ে যাচ্ছিলেন ওই বিভাগের সহকারী অধ্যাপক হেলাল উদ্দিন। এ সময় গাড়িতে ঢিল ছোড়া হয়।”
সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে নগর আওয়ামী লীগ সভাপতি এ বি এম মহিউদ্দিন চৌধুরী বলেন, “আমরা এখন ক্ষমতায়। অথচ বিরোধী শক্তি এখানে হলগুলো কিভাবে দখল করতে পারে?” হল দখলমুক্ত করে সাধারণ শিক্ষার্থীদের থাকার ব্যবস্থা করার আহ্বান জানান মহিউদ্দিন।
