ডিএসইতে লেনদেন কমেছে ২৭ ভাগ

আপডেট : ২৭ আগস্ট ২০১৪, ১৭:১৮
 
 
 
 
দেশের শেয়ারবাজারে আজ বুধবার সূচক বাড়লেও লেনদেন অনেক কমে গেছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন হয়েছে ৫৭৮ কোটি টাকা। যা আগের দিনের চেয়ে প্রায় ২৭ ভাগ কম। এদিকে লেনদেনের প্রায় অর্ধেকই হয়েছে তিনটি খাত ঘিরে। খাতগুলো হলো- ওষুধ, জ্বালানি ও ইঞ্জিনিয়ারিং খাত। এ তিন খাতে লেনদেন হয়েছে ২৭২ কোটি টাকা। যা ডিএসইর মোট লেনদেনের প্রায় ৪৭ ভাগ। আইডিএলসির দৈনন্দিন বাজার বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, বাজারে বড় মূলধনী কোম্পানিগুলোর দাম বেড়েছে ১ দশমিক ৭৫ শতাংশ। টানা তিনদিনের সূচক বৃদ্ধিতে ডিএসই’র সূচক ৪ হাজার ৬০০ এর কাছাকাছি চলে এসেছে। ডিএসইতে লেনদেন হওয়া ২৯৭ টি কোম্পানির মধ্যে ৪৯টি কোম্পানির শেয়ার দর বেড়েছে ৩ শতাংশেরও বেশি। এর প্রভাবেই বাজারে সূচক বেড়েছে।
তথ্যে দেখা গেছে, আজ ডিএসইর ব্রড ইনডেক্স (ডিএসইএক্স) ৮ পয়েন্ট বেড়ে ৪ হাজার ৫৯৯ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। আর ডিএস-৩০ সূচক ৬ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ৭৩৪ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ৫৭৮ কোটি ৪১ লাখ টাকা। যা আগের দিনের চেয়ে ২১৬ কোটি ৫৪ লাখ টাকা কম। লেনদেনকৃত ২৯৭টি কোমপানির মধ্যে দাম বেড়েছে ১৩১টির, কমেছে ১৩৪টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩২টি কোম্পানির শেয়ারের। অপর দিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক মূল্য সূচক আগের দিনের চেয়ে ৬ পয়েন্ট বেড়ে ১৪ হাজার ১৯৯ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। লেনদেন হয়েছে ৪১ কোটি ৮১ লাখ টাকা। যা আগের দিনের চেয়ে ১২ কোটি টাকা কম। লেনদেনকৃত ২১৯টি কোমপানির মধ্যে দাম বেড়েছে ৭৫টির কমেছে ১১৬টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২৮টি কোম্পানির শেয়ারের।
সিএসই সূত্রে জানা গেছে, অস্বাভাবিকভাবে শেয়ার দর বাড়ার কারণ নেই বলে জানিয়েছে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত পর্যটন ও অবকাশ খাতের কোম্পানি ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ বাংলাদেশ লিমিটেড। ইউনাইটেড এয়ারওয়েজের কাছে সামপ্রতিক শেয়ার দর বাড়ার কারণ জানতে চায় সিএসই কর্তৃপক্ষ। এর জবাবে দর বাড়ার পেছনে কোনো মূল্য সংবেদনশীল তথ্য নেই বলে জানিয়েছে কোম্পানি কর্তৃপক্ষ।
এ দিকে, সোশাল ইসলামী ব্যাংক লিমিটেডকে ৩০০ কোটি টাকার মুদারাবা সাব-অর্ডিনেটেড বন্ড ছাড়ার অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি)। এ বন্ড ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, কর্পোরেট হাউজ এবং ব্যাক্তি বিনিয়োগকারীরা কিনতে পারবে। বন্ডের মেয়াদ হবে ইস্যু তারিখ থেকে ৬ বছর। বন্ডের মাধ্যমে উত্তোলিত অর্থ সংগ্রহ করে ব্যাংকটি মূলধন বাড়ানোর কাজে ব্যয় করবে। বন্ডের ইউনিট প্রতি অভিহিত মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ লাখ টাকা। এ বন্ডে যারা বিনিয়োগ করবে তাদেরকে ১২০ শতাংশ হারে সুদ  দেওয়া হবে।
 
ইঅ/চৌফে/শ৩৫০