আন্তর্জাতিক ঐতিহ্যের তালিকায় স্থান পাওয়া জামদানিকে আরো বেশি প্রসারিত ও সকলের গ্রহণযোগ্য করার তাগিদ ছিল ইউনেস্কো ইন্টেলিজেবল মিটিং এ। সেই মিটিংয়েই আন্তর্জাতিক ঐতিহ্যের তালিকায় স্থান দেয়া হয় বাংলাদেশের জামদানিকে। এরই ধারাবাহিকতায় জামদানিকে নিয়ে নানা রকমের গবেষণা প্রয়োজন বোধ করেন সংশ্লিষ্টরা। জামদানি শিল্পী, ফ্যাশন ডিজাইনার, গবেষক ও সরকারের সংশ্লিষ্ট মহলকে নিয়ে কিভাবে গ্রহণযোগ্যভাবে জামদানির বহুমাত্রিক উদ্ভাবন করা যায় তার ওপরে এক কর্মশালার আয়োজন করে বাংলাদেশ ইউনেস্কো জাতীয় কমিশন।
বুধবার পলাশীর ব্যনবেইস ভবনে কর্মশালায় দেশের স্বনামধণ্য তিনটি ফ্যাশন হাউজ ২০ জন অভিজ্ঞ ও গুণী শিল্পীদের নিয়ে ৫৫দিনের মধ্যে জামদানির বহুমাত্রিক পণ্য উদ্ভাবনের মাধ্যমে প্রসারবৃদ্ধির কার্যক্রম শুরু করেছে। সেমিনারে বলা হয়, সেভগার্ডিং জামদানি দি ইনটেনজিবল কার্লচারাল হেরিটেজ ফরম বাংলাদেশ এন্ড প্রোমোটিং ক্রিয়েটিভ ইকোনোমি র্শীষক প্রকল্পের অংশ হিসেবে প্রটেকশন অব জামদানি থ্রো ইটস মাল্টিপল ইউজ এন্ড সেভগার্ডিং দি আর্টিস্ট এন্ড দি মকিনিটি শীর্ষক প্রজেক্ট বাস্তবায়নের জন্য কোরিয়ান ইউনেস্কোর জাতীয় কমিশন ১৭ হাজার ৫০০ মার্কিন ডলার দিয়েছে। বিশজন শিল্পী বা তাঁতীকে নতুন পন্য উদ্ভাবনের কাজ এগিয়ে নিতে ২০ হাজার টাকা করে অর্থ সহযোগিতা করা হবে। কর্মশালায় জনপ্রিয় ফ্যশন হাউজ আড়ং, কুমদিনী ও অঞ্জস এই সকল তাঁতীদের নিয়ে কাজ করে উপহার সামগ্রী, ঘর সাজানো নানাকরম পণ্য উদ্ভাবন করার কথা জানান হয়।
