অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেছেন, আগামী দু-তিন বছরের মধ্যে স্বল্পন্নোত দেশের তালিকা (এলডিসি) থেকে বেরিয়ে আসবে বাংলাদেশ। এর জন্য এখনই প্রস্তুতি গ্রহণ করতে হবে। তিনি বলেন, দারিদ্র্য একটি অভিশাপ, এখান থেকে আমরা মুক্তি পেতে চাই। আগামী ২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশ দারিদ্র্যমুক্ত হতে পারবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যাক্ত করেন।
রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে গতকাল সহশ্রাব্দ লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের অগ্রগতির প্রতিবেদন ২০১৩ প্রকাশ অনুষ্ঠানে একথা বলেন।
এসময় অর্থমন্ত্রী আরো বলেন, এমডিজি অর্জনে আমাদের ভালো অগ্রগতি হয়েছে। আমরা দৃঢ় সংকল্পবদ্ধ একটি জাতি। দুঃসময় ও সংকট কীভাবে পার হতে হয় তা আমরা জানি। আগামী দিনেও যে কোনও ধরনের সংকট সফলতার সঙ্গে মোকাবিলা করার সামর্থ বাংলাদেশের রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের সদস্য ড. শামসুল আলমের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি ছিলেন পরিকল্পণামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফাক কামাল। এতে সম্মানীয় অতিথি ছিলেন, অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ উপদেষ্টা ড. মসিউর রহমান, অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এমএ মান্নান, ইউএনডিপি কান্ট্রি ডিরেক্টর পলিন তামেসিস।
প্রতিবেদনটি উপস্থাপনা করেন জিইডি সদস্য ড. শামসুল আলম। আরও উপস্থিত ছিলেন অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সচিব মো. মেজবাহ উদ্দীন, পরিকল্পনা সচিব ভূঁইয়া সফিকুল ইসলাম, পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সচিব সুরাইয়া বেগম।
মূল প্রতিবেদনে ড. শামসুল আলম উল্লেখ করেন, এমডিজির অনেক সূচকে যথেষ্ট অগ্রগতি হওয়া সত্ত্বেও ২০১৫ সাল পর্যন্ত কিছু অভীষ্ট লক্ষ্য অর্জত হবে না। এগুলো হচ্ছে, কর্মক্ষম সবার জন্য কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা, ২০১৫ সালের মধ্যে প্রাথমিক স্কুলে ভর্তিকৃত শতভাগ ছাত্র-ছাত্রীর পঞ্চম শ্রেণি অতিক্রম, ১৫-২৪ বছর বয়স সীমায় শতভাগ শিক্ষার হার অর্জন, ১৫ বছর উর্ধ্বের সকলের শিক্ষার হার শতভাগে উন্নীতকরণ, অকৃষিখাতে মহিলাদের পঞ্চাশ শতাংশের অংশগ্রহণ, বনজ এলাকা ২০ শতাংশে উন্নীতকরণ যেখানে গাছের ঘনত্ব থাকবে ৭০ শতাংশ।
