সাতক্ষীরায় ১৮ জামায়াত-শিবির নেতাকর্মী আটক

আপডেট : ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৪, ১১:০৫

সাতক্ষীরায় জামায়াতের ডাকা বৃহস্পতিবারের হরতাল কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই ঢিলেঢালাভাবে পালিত হচ্ছে। হরতালের সমর্থনে জেলার কোথাও পিকেটিং অথবা মিছিল-সমাবেশের খবর পাওয়া যায়নি। এদিকে, নাশকতা এড়াতে পুলিশ রাতভোর অভিযান চালিয়ে ১৮ জামায়াত-শিবির নেতাকর্মীকে আটক করেছে। আটককৃতদের মধ্যে শ্যামনগর থেকে ৫ জন- তারা হলেন, উপজেলা শিবির সেক্রেটারী ও বড়বাড়ি গ্রামের মো. মোজাহিদ হোসেন, বুড়িগোয়ালিনী গ্রামের জামায়াত কর্মী আব্দুল গফুর, কদমতলা গ্রামের সাইফুল ইসলাম, গোলাখালি গ্রামের মো. কামাল হোসেন ও বড়বাড়ি গ্রামের মো. বিল¬াল হোসেন। সাতক্ষীরা সদর উপজেলা থেকে ২ জন- তারা হলেন, পুরাতন সাতক্ষীরা গ্রামের জামায়াত কর্মী মো. ইব্রাহিম ও দেবনগর গ্রামের আবু সালেক। কলারোয়া থেকে ২ জন- তারা হলেন, উপজেলার জনতিপুর এলাকার জামায়াত কর্মী মাস্টার জহুর আলী ও ছলিমপুর এলাকার নুরুল ইসলাম। তালা উপজেলার বালিয়াকান্দি গ্রামের জামায়াত কর্মী আজগর সরদার এবং কালিগঞ্জ উপজেলা থেকে ৮ জন- তারা হলেন, উপজেলার গোবিন্দপুর গ্রামের জামায়াতের রোকন আব্দুল জব্বার, মারকা গ্রামের জামায়াত কর্মী দাউদ আলী, ইন্দ্রোক গ্রামের ইয়াছিন আলী, পাইকারা গ্রামের গোলাম বারী, হারুনার রশিদ, গোবিন্দপুর গ্রামের আব্দুল জব্বার, কালিকাপুর গ্রামের রওশন আলী, বিলাল হোসেন ও গড়মহল গ্রামের শুকুর আলী খোকন।
অপরদিকে, হরতালের কারণে সাতক্ষীরার কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল থেকে দূর পাল্ল¬ার কোনো পরিবহন ছেড়ে যায়নি। দূর পাল্লার পরিবহন বন্ধ থাকায় সাধারণ যাত্রীরা পড়েছেন বিপাকে। তবে বেলা বাড়ার সাথে সাথে আভ্যন্তরীণ সড়কে যান চলাচল করতে দেখা যায় এবং শহরের অধিকাংশ দোকানপাটও খুলতে শুরু করে।
সাতক্ষীরার ভোমরা স্থল বন্দরের আমাদানী-রফতানি কার্যক্রম স্বাভাবিক রয়েছে। নাশকতা এড়াতে শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে পুলিশ, বিজিবি ও র‌্যাবের সমন্বয়ে গঠিত যৌথবাহিনীর টহল জোরদার আছে।
জেলা পুলিশের তথ্য কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক (এসআই) কামাল হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, হরতালে নাশকতা এড়াতে পুলিশ সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করছে। যেকোন ধরনের বিশৃঙ্খলা এড়াতে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।