জামায়াতের ডাকা হরতালে বন্দর নগরী বেনাপোলে তেমন কোন প্রভাব পড়েনি। দূরপাল্লার পরিবহন চলাচল ছাড়া বন্দর ও কাস্টমস ছিল অন্য দিনের মতই স্বাভাবিক। ব্যাংক, বীমা, দোকানপাট হোটেল-রেস্তোরা খোলা রয়েছে। আমদানি রফতানি চালুসহ বন্দরে লোড আনলোড স্বাভাবিক রয়েছে। তবে সকাল থেকে পণ্য বোঝাই কোন ট্রাক বন্দর ছেড়ে যায়নি। বেনাপোল বাজারসহ শার্শা উপজেলায় হরতালের পক্ষে বিপক্ষে কোন মিছিল মিটিং বা সমাবেশ দেখা যায়নি।
বেনাপোল চেকপোস্ট কার্গো অফিসার জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ভারত থেকে ২১৬ ট্রাক পণ্য আমদানি হয়েছে এবং বেনাপোল থেকে ১০২ ট্রাক পণ্য ভারতে রফতানি হয়েছে।
বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মনিরুজ্জামান জানান, হরতাল হলেও সকাল থেকে ভারত বাংলাদেশের মধ্যে পাসপোর্ট যাত্রী পারাপার স্বাভাবিক গতিতে চলছে। তবে দূরপাল্লার কোন পরিবহন চলাচল না করার কারণে ঢাকা ও চট্রগ্রাম মুখি যাত্রীরা বিভিন্ন পরিবহন কাউন্টারে আটকা পড়েছে।
বেনাপোল বন্দরের সহকারী পরিচালক মনিরুজ্জামান জানান, বন্দরে লোড আনলোডসহ সকল কার্য্যক্রম স্বাভাবিক রয়েছে। তবে কোন পণ্যবাহী ট্রাক নিরাপত্তার কারণে বন্দর ছেড়ে যায়নি।
বেনাপোল ও শার্শা থানার কর্মকর্তারা জানান, হরতালে কোথাও কোন অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। নাশকতা এড়াতে বন্দরসহ গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
