খুলনায় জামায়াতের নারী নেত্রী, রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলা জামায়াতের প্রচার সম্পাদক এবং সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় ইউনিয়ন জামায়াতের আমিরসহ জামায়াত-শিবিরের মোট ১২ নেতা-কর্মীকে আটক করা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার রাতে ও শুক্রবার পৃথক অভিযানে পুলিশ তাঁদের আটক করে।
খুলনার সোনাডাঙ্গা মডেল থানার পুলিশ জানায়, শুক্রবার ভোরে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে জামায়াতের নেত্রী হুমায়রা খাতুনের (৫০) বাসায় অভিযান চালিয়ে ছয় শিবির কর্মীসহ তাঁকে আটক করা হয়। হুমায়রা খাতুন মোহাম্মদনগর মহিলা কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ। আটক ছয় শিবির কর্মী হলেন কুষ্টিয়ার আরিফ হোসেন, ঝিনাইদহের সাফি-আল রুমি আবীর হোসাইন ও তৌফিক ওমর, বাগেরহাটের আবু বক্কর এবং ঠাকুরগাঁওয়ের রুহুল আমিন। তাঁরা সবাই খুলনার ইসলামী ব্যাংক ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির শিক্ষার্থী।
সোনাডাঙ্গা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মারুফ আহমেদ জানান, ‘পলাতক স্থানীয় জামায়াত নেতা আলী আশরাফের বাড়ি থেকে তাদের আটক করা হয়েছে। আটককৃতরা দীর্ঘদিন ধরে নাশকতা চেষ্টা করছিল। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে এবং তাদের বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি চলছে।’
রাজশাহীর গোদাগাড়ী মডেল থানার পুলিশ জানায়, গত বৃহস্পতিবার রাতে ও শুক্রবার দুপুরে উপজেলার রাজাবাড়ী এলাকায় অভিযান চালিয়ে চারজনকে আটক করা হয়েছে। আটককৃতরা হলেন উপজেলা জামায়াতের প্রচার সম্পাদক আনোয়ার জাহিদ (৪৫), জামায়াত নেতা মোহাম্মদ লিটু (৩৫), শিবির কর্মী মাসিকুল ইসলাম (২৬) ও শরিফুল ইসলাম (২৬)।
গোদাগাড়ী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম আবু ফরহাদ জানান, আটককৃত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাস-নাশকতা ও সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে মামলা আছে। আটককৃত ব্যক্তিদের আদালতে হাজির করা হলে আদালত তাঁদের কারাগারে প্রেরণ করে।
এদিকে সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলার দুর্গানগর ইউনিয়নের জামায়াতের আমির আবদুল মোতালেবকে (৫৫) শুক্রবার দুপুরে বালশাবাড়ী গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে আটক করেছে পুলিশ।
উল্লাপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তাজুল হুদা জানান, ‘আটককৃত মোতালেবের বিরুদ্ধে পুলিশের ওপর হামলা, পুলিশের কাজে বাধাদানসহ বেশ কয়েকটি মামলা রয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাঁকে আদালতে হাজির করা হবে।’
