দুই ভুয়া চিকিৎসককে মোবাইল কোর্টের জেল

আপডেট : ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৪, ১৩:৫৬
 
চুয়াডাঙার জীবনগরে দুই ভুয়া চিকিৎসকে কারাদণ্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। শনিবার সন্ধ্যায় উপজেলার আন্দুলবাড়িয়া বাজার থেকে তাদের আটক করা হয়।
আটককৃতরা হলেন- ভারতীয় ভুয়া চিকিৎসক ডা. কাজী কামাল উদ্দিন (৩৮) ও ডা. মেরাজ উদ্দিন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বনগাঁও জেলার গাড়াপোতা গ্রামের কাজী কামাল অবৈধ অনুপ্রবেশ করে উপজেলার আন্দুলবাড়িয়ায় চিকিৎসা প্রদান শুরু করে। দীর্ঘদিন ধরে কাজী কামাল কথিত চর্ম, যৌন, শিশু ও স্ত্রী চিকিৎসায় বিশেষ অভিজ্ঞ এবং মেডিসিন বিশেষজ্ঞের পরিচয়ে চিকিৎসা প্রদান করে আসছিলেন। ২০১১ সালের ৪ অক্টোবর পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ করেন। আদালত তাকে সাজা প্রাদান করেন। দীর্ঘ দুই বছর সাজাভোগের পর সম্প্রতি মুক্ত হয়ে তিনি আবারো আন্দুলবাড়িয়ায় ফিরে চিকিৎসা শুরু করে। শনিবার নিউ পপুলার ডায়াগনষ্টিক সেন্টার হতে তাকে গ্রেফতার করা হয়। অন্যদিকে আন্দুলবাড়িয়া হাইস্কুলে চক্ষু শিবিরের আয়োজন করে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগে পুলিশ একই সময়ে এর পরিচালক নরসিংদীর বাহাউদ্দিনের ছেলে ডা. মিরাজ উদ্দিনকে গ্রেফতার করে।
রাতেই তাদের ভ্রাম্যমাণ আদালতে সোপর্দ করা হলে প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট ইউএনও নুরুল হাফিজ ভারতীয় ভুয়া চিকিৎসক কাজী কামালকে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড ও ২০ হাজার টাকা জরিমানার উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করেন। জরিমানার টাকা অনাদায়ে আরো এক মাসের কারাদণ্ড প্রদান করেন এবং চক্ষু শিবিরের পরিচালক ডা. মিরাজ উদ্দিনকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন।