যশোর প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় চেয়ারম্যানদের গণপদত্যাগ

আপডেট : ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ২২:৫৮

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) ২০টি বিভাগের চেয়ারম্যানগণ পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। তবে শিক্ষক হিসেবে তারা কর্মরত আছেন। শিক্ষক সমিতির সভাপতি ও অনুজীব বিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. ইকবাল কবীর জাহিদকে প্রাণনাশের হুমকি ও শিক্ষক-কর্মকর্তাদের মানববন্ধনে হামলায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি না হওয়ায় শনিবার উপাচার্য বরাবর পদত্যাগপত্র জমা দেওয়া হয়। বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ড. নাজমুল হাসান বলেন, সমিতির সাধারণ সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বিভাগীয় চেয়ারম্যানের পদ থেকে গণপদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। শনিবার উপাচার্যের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিতে গেলে তিনি গ্রহণ করেননি। কিন্তু আমরা তার চিঠি গ্রহণ শাখায় পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছি।

বিভাগীয় চেয়ারম্যানের পদ থেকে পদত্যাগকারীরা হলেন— বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি ও অনুজীব বিজ্ঞান বিভাগের প্রফেসর ড. ইকবাল কবীর জাহিদ, ব্যবস্থাপনা বিভাগের ড. নাজমুল হাসান, ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রকৌশলী ড. আমজাদ হোসেন, পরিবেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিভাগের ড. সাইবুর রহমান মোল্লা, রসায়ন বিভাগের ড. সুমন চন্দ্র মোহন্ত, মার্কেটিং বিভাগের ড. মেহেদী হাসান, ইংরেজি বিভাগের ড. আব্দুল্লাহ আল মামুন, হিসাব বিজ্ঞান বিভাগের মোহাম্মদ কামাল হোসেন, কেমিকেল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ড. ওয়াসিকুর রহমান, ফিশারিজ অ্যান্ড মেরিন বায়োসায়েন্স বিভাগের ড. আনিসুর রহমান, ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যান্ড প্রোডাকশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ড. এএসএম মুজাহিদুল হক, বায়ো মেডিকেল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ড. বিপ্লব কুমার বিশ্বাস, এগ্রো প্রোডাক্ট প্রসেসিং টেকনোলজি বিভাগের প্রফেসর ড. মৃত্যুঞ্জয় বিশ্বাস, কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ড. সৈয়দ মোঃ গালিব, গণিত বিভাগের সাইফুল ইসলাম, শারীরিক শিক্ষা ও ক্রীড়াবিজ্ঞান বিভাগের ড. জাফিউল ইসলাম, টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ড. তানভীর হাসান, পুষ্টিবিজ্ঞান বিভাগের ড. ওমর ফারুক, ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম এবং জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়ো টেকনোলজি বিভাগের শেখ মিজানুর রহমান।

এ প্রসঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. আনোয়ার হোসেন বলেন, প্রত্যেক বিভাগের চেয়ারম্যানকে আলাদা কাগজে পদত্যাগপত্র জমা দেওয়ার নিয়ম। বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত অফিসে ছিলাম। আমার কাছে কোনো পদত্যাগপত্র আসেনি।