অবৈধভাবে সমুদ্রপথে মালয়েশিয়া যাবার চেষ্টাকালে এক দালালসহ ১৭ ব্যক্তিকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। সোমবার সকাল ৭টার দিকে কক্সবাজারের টেকনাফ থেকে তাদেও আটক করা হয়।
বিজিবির দাবি, আটক ব্যক্তিদের মধ্যে সিরাজগঞ্জ, যশোর, কিশোরগঞ্জ, বান্দরবন জেলার বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা রয়েছে। এদের মধ্যে মিয়ানমারের এক রোহিঙ্গা দালাল বলে জানা গেছে।
বিজিবি সূত্র জানায়, সোমবার সকালে নিজস্ব গোয়েন্দার সংস্থার মাধ্যমে কিছু লোক সমুদ্রপথে অবৈধভাবে মালয়েশিয়া যাবার চেষ্টা খবর পেয়ে নায়েব সুবেদার ফুলমিয়ার নেতৃত্বে নাফনদীর জলিলের দিয়া (জইল্যারদ্বীপ) অভিযান চালিয়ে মিয়ানমারে এক দালাল ও লেদা রোহিঙ্গাবস্তির বাসিন্দা রশিদ আহমদের ছেলে জয়নাল (২২)সহ ১৭জনকে আটক করা হয়। আটক যাত্রীরা হলেন- সিরাজগঞ্জের মামুদপুরের দোসর মোল্লার ছেলে গোলজার হোসেন (৫২), আবু সাঈদের ছেলে সাদ্দাম হোসেন (২২), বেলকুচির বাদশা মন্ডলের ছেলে মো. রুহুল আমিন (২৫), রায়হান বেপারীর ছেলে মো. ইসমাইল (২০), চন্দনগাঁও আবদুল কাদেরের ছেলে মো. হাসান (২৪), যশোরের শার্শা সিরাজুল ইসলামের ছেলে রানা ইসলাম (১৭), দাউদ আলীর ছেলে মহিউদ্দিন (২৮), কন্দমপুর ইমামুল হোসেনের ছেলে উজ্জল হোসেন (১৯), সাহেব আলীর ছেলে মো. আলমগীর (৩০), আলী আহমদের ছেলে মো. সিকান্দর (২৯), মিজানুর রহমানের ছেলে বখর আলী (২২), কিশোরগঞ্জের কৈরালার আরজু মিয়ার ছেলে ইমন হোসেন (১৬), আশরফ আলীর ছেলে রহমত আলী (২৭), জয়নাল মিয়ার ছেলে আজিজুর রহমান (১৮), বান্দরবনের আলী কদমের আলী আহমদের ছেলে মো. হোছন (৩২) ও কুতুপালং রোহিঙ্গা শিবিরের ইউসুফ আলীর ছেলে রমজান আলী (২৩)।
আটক ব্যক্তিরা জানান, সিরাজগঞ্জের রঞ্জু মোল্লা গত বুধবার মালয়েশিয়া পাঠানোর কথা বলে আমাদের টেকনাফে নিয়ে এসে স্থানীয় দালাল জয়নালের হাতে তুলে দেন। তার মাধ্যমে রবিবার রাতে লেদা এলাকা থেকে ছোট নৌকায় করে নাফনদীর জইল্যার দ্বীপে নিয়ে আসে। সোমবার রাতে আমাদের বড় ট্রলারে তুলে দেওয়ার জন্য অপেক্ষা করছিলাম কিন্তু তার আগে বিজিবির হাতে ধরা পড়ি।
আটক দালাল মো. জয়নাল জানান, সে দালাল নয়। তাদের সঙ্গে আমিও মালয়েশিয়া যাওয়ার জন্য যাত্রী হিসেবে ছিলাম।
৪২বিজিবি টেকনাফ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্ণেল মো. আবু জার আল জাহিদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, আটক দালালসহ যাত্রীদের থানা পুলিশে সোপদ করে একটি মামলা রুজু করা হয়েছে।
