গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার গাজীপুর গ্রামে শিক্ষক ও সহপাঠীদের বাধায় গতকাল রোববার বীণা আক্তার (১০) নামের চতুর্থ শ্রেণির এক ছাত্রীর বাল্যবিবাহ বন্ধ হয়েছে।
এলাকার কয়েকজন বাসিন্দা ও বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, গাজীপুর গ্রামের বাবুল সরকারের মেয়ে বীণাকে গতকাল জোর করে স্থানীয় পোশাক কারখানার শ্রমিক রশিদুল ইসলামের (২০) সঙ্গে বিয়ে দেওয়ার আয়োজন করা হয়। বীণার আত্মীয় একই গ্রামের ছিদ্দিক আলী এ বিয়ের আয়োজন করেন। দুপুরে অতিথিরা হাজির হন বিয়েবাড়িতে। বধূ সেজে সন্ধ্যার পর স্বামীর ঘরে চলে যাওয়ার কথা বীণার। এরই মধ্যে বীণার বিয়ের খবর পায় তার বিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং সহপাঠীরা।
খবর পেয়ে বেলা তিনটার দিকে শ্রীপুরের ৩ নম্বর গাজীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বীণার সহপাঠী ও শিক্ষকেরা বিয়েবাড়িতে এসে বিয়েতে বাধা দেন এবং বিয়ে বন্ধ করতে প্রশাসনের সহযোগিতা চান। খবর পেয়ে বিকেলেই উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা হারুন অর রশিদের নেতৃত্বে পুলিশ বিয়েবাড়িতে এসে ওই বিয়ে বন্ধ করে। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে বাবুল ও তাঁর স্ত্রী শেফালী আক্তার পালিয়ে যান।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে শ্রীপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. ফরিদ জানান, ওই মেয়ের পরিবার কোনোভাবে মেয়েটির বিয়ে দিতে ইচ্ছুক হয়ে থাকলে তার মা-বাবার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এলাকার কয়েকজন বাসিন্দা ও বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, গাজীপুর গ্রামের বাবুল সরকারের মেয়ে বীণাকে গতকাল জোর করে স্থানীয় পোশাক কারখানার শ্রমিক রশিদুল ইসলামের (২০) সঙ্গে বিয়ে দেওয়ার আয়োজন করা হয়। বীণার আত্মীয় একই গ্রামের ছিদ্দিক আলী এ বিয়ের আয়োজন করেন। দুপুরে অতিথিরা হাজির হন বিয়েবাড়িতে। বধূ সেজে সন্ধ্যার পর স্বামীর ঘরে চলে যাওয়ার কথা বীণার। এরই মধ্যে বীণার বিয়ের খবর পায় তার বিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং সহপাঠীরা।
খবর পেয়ে বেলা তিনটার দিকে শ্রীপুরের ৩ নম্বর গাজীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বীণার সহপাঠী ও শিক্ষকেরা বিয়েবাড়িতে এসে বিয়েতে বাধা দেন এবং বিয়ে বন্ধ করতে প্রশাসনের সহযোগিতা চান। খবর পেয়ে বিকেলেই উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা হারুন অর রশিদের নেতৃত্বে পুলিশ বিয়েবাড়িতে এসে ওই বিয়ে বন্ধ করে। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে বাবুল ও তাঁর স্ত্রী শেফালী আক্তার পালিয়ে যান।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে শ্রীপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. ফরিদ জানান, ওই মেয়ের পরিবার কোনোভাবে মেয়েটির বিয়ে দিতে ইচ্ছুক হয়ে থাকলে তার মা-বাবার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
