মাওয়া-কাওড়াকান্দি নৌপথে লঞ্চ ও স্পিডবোট চলাচল করছে ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত যাত্রী নিয়ে। সেই সঙ্গে যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করছে তারা।
রোববার ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায় দুপুর ১২টার দিকে কাওড়াকান্দি ঘাট থেকে ধারণক্ষমতার দ্বিগুণ যাত্রী নিয়ে লঞ্চ ও স্পিডবোট ছাড়ছে। স্পিডবোটগুলোতে ১০-১২ জনের জায়গায় ১৬-১৮ জন যাত্রী পরিবহন করা হচ্ছে। যাত্রীরা অভিযোগ করেন, কাওড়াকান্দি ঘাটে টোল তিন টাকার জায়গায় দিতে হয়েছে ১০ টাকা। স্পিডবোট ভাড়া ১৫০ টাকার জায়গায় ২০০ টাকা এবং লঞ্চে ৩৫ টাকার জায়গায় ৪৫ টাকা নেওয়া হচ্ছে।
ফরিদপুরের সদরপুরের যাত্রী সাখওয়াত হোসেন জানান, যাত্রীদের ভিড় বেশি হওয়ায় যানবাহনগুলো ভাড়া বাড়িয়ে দিয়েছে। ফরিদপুর থেকে মাওয়া ঘাট পর্যন্ত আসতে তাঁর দ্বিগুণ টাকা খরচ হয়ে গেছে। সব জায়গায় তাঁকে অতিরিক্ত ভাড়া দিতে হয়েছে। আলম নামে অপর এক যাত্রী জানান, বাসগুলো ৭০ টাকার স্থলে ১০০ টাকা থেকে ১২০ টাকা আদায় করছে।
মাওয়া ঘাটের ট্রাফিক পরিদর্শক রিয়াদ হোসেন জানান, যাত্রীর চাপ কাওড়াকান্দি ঘাটে বেশি। তাই যাত্রীদের কাছ থেকে বেশি টোল ওই পারে আদায় করে থাকতে পারে। তবে কাওড়াকান্দি ঘাট থেকে স্পিডবোট ভাড়া ২০০ টাকা আদায় করা হচ্ছে এমনটা তিনিও দেখেছেন। তবে মাওয়া ঘাটে স্বাভাবিক ভাড়া আদায় করা হচ্ছে বলে তিনি বলেন।
ফরিদপুরের সদরপুরের যাত্রী সাখওয়াত হোসেন জানান, যাত্রীদের ভিড় বেশি হওয়ায় যানবাহনগুলো ভাড়া বাড়িয়ে দিয়েছে। ফরিদপুর থেকে মাওয়া ঘাট পর্যন্ত আসতে তাঁর দ্বিগুণ টাকা খরচ হয়ে গেছে। সব জায়গায় তাঁকে অতিরিক্ত ভাড়া দিতে হয়েছে। আলম নামে অপর এক যাত্রী জানান, বাসগুলো ৭০ টাকার স্থলে ১০০ টাকা থেকে ১২০ টাকা আদায় করছে।
মাওয়া ঘাটের ট্রাফিক পরিদর্শক রিয়াদ হোসেন জানান, যাত্রীর চাপ কাওড়াকান্দি ঘাটে বেশি। তাই যাত্রীদের কাছ থেকে বেশি টোল ওই পারে আদায় করে থাকতে পারে। তবে কাওড়াকান্দি ঘাট থেকে স্পিডবোট ভাড়া ২০০ টাকা আদায় করা হচ্ছে এমনটা তিনিও দেখেছেন। তবে মাওয়া ঘাটে স্বাভাবিক ভাড়া আদায় করা হচ্ছে বলে তিনি বলেন।
