দুর্বল যোগাযোগ ব্যবস্থা ও অদক্ষ কর্মীদের কারণে আফ্রিকায় ইবোলা প্রাদুর্ভাবের ক্ষেত্রে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। সংস্থাটির ফাঁস হওয়া এক প্রতিবেদন সূত্রে বিবিসি এ খবর জানিয়েছে।
এছাড়া ইবোলা প্রাদুর্ভাব ছড়িয়ে পড়ার প্রথম দিকে বেশ কিছু ব্যর্থতার ঘটনাও ঘটেছে বলে আলাদাভাবে স্বীকার করেছেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ঘনিষ্ঠ কয়েকটি সূত্র।
ফাঁস হওয়া প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রাদুর্ভাবটি প্রতিরোধ করার কাজে নিয়োজিত প্রায় সবাই দেয়ালের সরল লিখনগুলো দেখতে ব্যর্থ হয়েছিলেন ।
প্রতিবেদন অনুযায়ী বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, ডব্লিউএইচও মার্চে গিনি থেকে প্রথম ইবোলা সংক্রমণের প্রতিবেদন পেয়েছিল। কিন্তু প্রতিবেদন পাওয়ার কয়েক মাস পর এটি প্রতিরোধের প্রচেষ্টায় নামে সংস্থাটি।
এপ্রিলে চিকিৎসা বিষয়ক দাতব্য সংস্থা মেডিসিনস স্যান্স ফ্রন্টিয়ার্স (এমএসএফ) ইবোলার প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে বলে সতর্ক করেছিল। কিন্তু ওই সময় এমএসএফ’র এই সতর্কতার সঙ্গে দ্বিমত করেছিল ডব্লিউএইচও।
প্রাদুর্ভাবের সময় চিত্র দেয়া খসড়া ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অরক্ষিত সীমান্ত ও দুর্বল স্বাস্থ্য ব্যবস্থার এই দেশগুলোতে (গিনি, সিয়েরা লিওন, লাইবেরিয়া) স্থানীয়ভাবে প্রচলিত পদ্ধতিতে সংক্রামক রোগ ঠেকানোর ব্যবস্থা কাজ করবে না, এটি বিশেষজ্ঞদের বোঝা উচিত ছিল।
ডব্লিউএইচও’র তথ্যমতে, মারাত্মক ইবোলা সংক্রমণে আক্রান্ত দেশ লাইবেরিয়া, গিনি ও সিয়েরা লিওনে রোগটিতে এ পর্যন্ত ৯,১৯১ জন আক্রান্ত হয়েছেন এবং এদের মধ্যে ৪,৫৪৬ জন মারা গেছেন।
