যুক্তরাষ্ট্রে সৌদি আরবের পরবর্তী রাষ্ট্রদূত হচ্ছেন প্রিন্সেস রিমা বিনতে বান্দার আল সৌদ। তিনি হবেন প্রথম কোনো নারী যিনি সৌদি আরবের দূত হিসেবে কাজ করবেন। শনিবার এক রাজকীয় ডিক্রি মারফত তার নাম ঘোষণা করে সৌদি সরকার। তিনি এমন এক সময়ে যুক্তরাষ্ট্রে রাষ্ট্রদূত হচ্ছেন যখন তার দেশকে সাংবাদিক জামাল খাশোগি হত্যাকাণ্ডে ব্যাপক সমালোচনা সইতে হচ্ছে। সৌদি আরব এই হত্যাকাণ্ডে যুবরাজ সালমানের সম্পৃক্ততার অভিযোগ অস্বীকার করলেও মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলো এই দাবী নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছে। মার্কিন আইনপ্রণেতারা বিষয়টি নিয়ে আরো তদন্তের জন্য ট্রাম্প প্রশাসনকে চাপ দিচ্ছেন। এ অবস্থায় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের এক বড় চ্যালেঞ্জ নিয়ে দায়িত্ব নিতে চলেছেন প্রিন্সেস রিমা।
বিবিসি’র এক খবরে বলা হয়েছে, প্রিন্সেস রিমা যুক্তরাষ্ট্রে রাষ্ট্রদূত প্রিন্স খালিদ বিন সালমানের স্থলাভিষিক্ত হবেন। যুবরাজ সালমানের ছোটো ভাই খালিদকে ইতিমধ্যেই সৌদি আরবের উপ-প্রতিরক্ষামন্ত্রী পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। আর প্রিন্সেস রিমা তার বাবা বান্দার বিন সুলতান আল সৌদের পদাঙ্কও অনুসরণ করছেন। বান্দার বিন সুলতান ১৯৮৩ থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রে সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। আর সে কারণেই প্রিন্সেস রিমা কার্যত বড় হয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রে এবং পড়াশোনা করেছেন জর্জ ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ে। ২০০৫ সালে সৌদি আরবে ফিরে তিনি সরকারি ও বেসরকারি উভয় খাতেই কাজ শুরু করেন। বেশকিছু ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ পদেও রয়েছেন তিনি। নারী অধিকারের পক্ষে কাজ করার জন্য তার পরিচিতি রয়েছে যদিও তার দেশের নারী অধিকারের রেকর্ড খুব একটা সুখকর নয়। স্তন ক্যান্সার নিয়ে সচেতনতা তৈরির ক্ষেত্রে কাজ করার জন্যও পরিচিতি রয়েছে প্রিন্সেস রিমার।
