‘চলচ্চিত্রে বিপ্লব করতে তথ্য প্রযুক্তির প্রয়োগ ঘটাতে হবে’

আপডেট : ১২ নভেম্বর ২০১৪, ২০:৩০
 
 
 

 
তথ্যমন্ত্রী হাসানুক ইনু বলেছেন, দেশের চলচ্চিত্র জগতে বিপ্লব সাধন করতে হলে তথ্য প্রযুক্তির প্রয়োগ ঘটাতে হবে। চলচ্চিত্র শিল্পে প্রযুক্তির যথাযথ প্রয়োগ ঘটাতে না পারলে আমরা বিশ্বদরবারের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে পারব না। বুধবার রাজধানীর ইন্সটিটিউট অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স (আইডিইবি) মিলনায়তনে জাতীয় চলচ্চিত্র পথিকৃত আব্দুল জব্বার খান শীর্ষক এক বক্তৃতা অনুষ্ঠানে তিনি প্রধান অতিথির ভাষণ দেন।
সাম্প্রদায়িকতা, জঙ্গিবাদ, দলবাজি, দুর্নীতিকে গণতন্ত্রের আবর্জনা হিসেবে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, এ আবর্জনা মুক্ত চলচ্চিত্র নির্মাণে আমাদের এগিয়ে আসতে। যে চলচ্চিত্র জাতিকে নতুন পথ দেখাবে। তিনি আরো বলেন, একজন রাজনীতিক বক্তৃতা দিয়ে সমাজ পরিবর্তন করতে পারেন না। কিন্তু চলচ্চিত্রের মাধ্যমে সমাজ অগ্রসরে কার্যকর ভূমিকা রাখা যায়।
গণপ্রকৌশল দিবস-১৪ ও আইডিইবির ৪৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে স্মারক বক্তৃতায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক আবুল কাশেম ফজলুল হক। অনুষ্ঠানে জাতীয় চলচ্চিত্র জগতে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ মোট ছয়জনকে পুরস্কৃত করা হয়। এরা হলেন— চিত্রনায়ক আব্দুর রাজ্জাক, অভিনেত্রী ফেরদৌসী মজুমদার, নাট্যকার মামুনুর রশীদ, চিত্রপরিচালক তানভীর মোকাম্মেল, প্রয়াত তারেক মাসুদ ও শুভাশিস সিনহা।
অধ্যাপক আবুল কাশেম বলেন, প্রযুক্তির মাধ্যমে আমরা অনেক দূর এ গিয়েছি। অনেক সম্পদ বেড়েছে, মানুষের জীবনকে সুখী করেছে। কিন্তু মানুষের মূল্যবোধ ও সংস্কৃতিতে আশানুরূপ অগ্রগতি হয়নি। এত করে আমাদের রাজনীতি মানবায়ীত হয়নি। তিনি বলেন মানবতার শান্তির জন্য আজকে এমন বিশ্বদরকার যেখানে সব জাতি রাষ্ট্র থেকে সরকার গঠন করতে হবে।
আইডিইবির কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি এ কে এম এ হামিদ বলেন, আইডিইবি প্রযুক্তির অন্তর্হিত শক্তিকে গণমুখি ও গণমানুষের দাবি আদায়ের চেষ্টা করছে।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব সৈয়দ হাসান ইমাম, রামেন্দ্র মজুমদার, শামুসর রহমান প্রমুখ।