২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষী জজ মিয়ার সাক্ষ্য বাতিল চেয়ে এক আসামির করা আবেদনের ওপর হাইকোর্টে শুনানি শেষ হয়েছে। আগামী ২৩ নভেম্বর এ আবেদনের ওপর আদেশ দেয়া হবে।
বিচারপতি মুহাম্মদ আবদুল হাফিজ ও বিচারপতি মো. রুহুল কুদ্দুসের ডিভিশণ বেঞ্চ সোমবার শুনানি গ্রহণ শেষে আদেশের জন্য এ দিন ধার্য করে দেন।
গত ৩০ সেপ্টেম্বর ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ এ সাক্ষ্য দেন জজ মিয়া। তাঁর সাক্ষ্য প্রত্যাহার চেয়ে আসামি উজ্জ্বল ওরফে রতন ওই আদালতে আবেদন করলে তা নাকচ করে দেয়া হয়।
বিচারিক আদালতের এই আদেশের বিরুদ্ধে গত ২০ অক্টোবর হাইকোর্টে আবেদন করেন উজ্জ্বল।
আবেদনে বলা হয়, ইতপূর্বে এ মামলায় নিজেকে ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত করে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছিলেন জজ মিয়া। পরে এই জবানবন্দি মিথ্যা বলে দাবি করে প্রথম অভিযোগপত্র থেকে আসামির তালিকা থেকে জজ মিয়াকে বাদ দেন তদন্তকারী কর্মকর্তা। এরপর সম্পূরক অভিযোগপত্রে জজ মিয়াকে রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষী করা হয় এবং তিনি সম্প্রতি আদালতে সাক্ষ্য দেন।
রাজসাক্ষী না করে কোন আসামিকে সাধারণ সাক্ষী করে সাক্ষ্য নেয়ার নজির নেই। এ কারণে জজ মিয়ার সাক্ষ্য বাতিল করা হোক।
আদালতে আবেদনকারী পক্ষে আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন ও এ জে মোহাম্মদ আলী এবং রাষ্ট্রপক্ষে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম ও অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মো. মোমতাজ উদ্দিন ফকির শুনানি করেন।
