রাবিতে শিক্ষক হত্যা

পুলিশের ক্লু বিভাগীয় মাস্টার্সের ছাত্রী ‘সোনামনি’!

আপডেট : ১৮ নভেম্বর ২০১৪, ০৯:১৯
 
 
 
 
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) সমাজবিজ্ঞান বিভাগের প্রফেসর ড. একেএম শফিউল ইসলামের হত্যাকাণ্ডের দিন তাঁর ভাড়া বাসা থেকে একই বিভাগের মার্স্টাসের ফলপ্রার্থী এক ছাত্রীকে আটক করেছে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। আটককৃত ঐ ছাত্রীর ডাকনাম ‘সোনামনি’ বলে জানা গেছে। তার বাড়ি নিহত শিক্ষকের নিজ জেলা গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে।
জানা গেছে, প্রফেসর শফিউলের ভাড়া ফ্লাটের তালা ভেঙ্গে ঘটনার দিন শনিবার সন্ধ্যায় ঐ ছাত্রীকে আটক করে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। নগরীর মতিহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলমগীর হোসেন ঐ ছাত্রীকে আটকের সত্যতা স্বীকার করেছেন।
এ ব্যাপারে মতিহার থানার ওসি আলমগীর হোসেন বলেন, ‘হত্যাকাণ্ডের পর প্রফেসর শফিউলের ভাড়া বাড়ি থেকে এক ছাত্রীকে আটক করা হয়েছে। তাকে গোয়েন্দা পুলিশের কার্যালয়ে রেখে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।’ তবে নগরীর গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল মজিদ এই ব্যাপারে এখনই কোন কিছু বলতে রাজি হননি।
গোয়েন্দা পুলিশের আরেকটি সূত্র আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলছে, যেহেতু ভিকটিমের ভাড়া বাড়িতে তালাবদ্ধ অবস্থায় ঐ ছাত্রীকে আটক করা হয়েছে, তাই তাকে খুবই গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে। তার দেয়া তথ্য গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে। হত্যাকণ্ডাটি অনেক বেশি স্পর্শকাতর হওয়ায় এবং তদন্তের স্বার্থে বিষয়টি গোপন রাখা হচ্ছে।
নিহতের প্রতিবেশী ও পুলিশ সূত্র জানা যায়, হত্যাকাণ্ডের আগের দিন শুক্রবার দুপুরে এক মেয়ে প্রফেসর শফিউল ইসলামের ভাড়া বাড়িতে প্রবেশ করেন। পরে তাকে আর ঐ বাড়ি থেকে বের হতে দেখা যায়নি। শনিবার বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে প্রফেসর শফিউল ইসলামের নৃশংস হত্যাকাণ্ডের পর সন্ধ্যায় নিহতের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়েছে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এ সময় বাড়ির তালা ভেঙ্গে ঐ ছাত্রীকে আটক করা হয়। পরে তাকে গোয়েন্দা কার্যালয়ে রেখে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
আটক ছাত্রীর দেওয়া তথ্যকে গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে পুলিশ। তার দেয়া তথ্য ও নিহতের ব্যক্তিগত ও পারিবারিক দ্বন্দ্ব এবং মতাদর্শগত দিককে প্রাধান্য দিয়ে হত্যাকাণ্ডের ঘটনার কারণ ও হত্যাকারীদের ধরতে চেষ্টা চলছে বলে জানা গেছে।