দাগনভূঞা উপজেলা ছাত্রলীগের কমিটি ঘোষণাকে কেন্দ্র করে শুক্রবার রাত ৮টায় উপজেলা ছাত্রলীগ আহ্বায়ক একরাম উল্যাহ গ্রুপের সাথে যুগ্ম আহ্বায়ক আবু নাছের আসিফ গ্রুপের সংঘর্ষ বাধে। এ সময় আসিফ গ্রুপ দাগনভূঞা বাজারের ফাজিলের ঘাট রোডে কয়েকটি বোমা বিস্ফোরণ ঘটায় এবং আসিফ গ্রুপের যুবলীগ ক্যাডার সাইফুলের নেতৃত্বে অস্ত্রের মহড়া চালায়।
শুক্রবার রাতে উপজেলা ছাত্র লীগের আহ্বায়ক একরাম উল্যাহ, যুগ্ম আহ্বায়ক রাশেদ মহাজন ও আজিজুল হক রাসেলকে না জানিয়ে আসিফকে সভাপতি ও রকিবকে সম্পাদক করে উপজেলা ছাত্রলীগের একটি কমিটি অনুমোদন দেয়াকে কেন্দ্র করে এ সংঘর্ষের সূত্রপাত ঘটে। এ সময় একরাম সমর্থকরা প্রতিবাদ জানায় এবং বিক্ষুব্ধ ছাত্রলীগ কর্মীরা শতাধিক গাড়ি ভাংচুর করে। আসিফ গ্রুপের ক্যাডাররা একরাম গ্রুপের ওপর গুলি বর্ষণ করে। এ সময় পারভেজ ও শহীদ নামে দুই ছাত্রলীগ কর্মী গুলিবিদ্ধ হয়ে স্থানীয় মেডিকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি হয় এবং আহত হয়েছে ১০ জন।
এ ঘটনায় দাগনভূঞা থানায় উভয় গ্রুপ শতাধিক নেতা কর্মীকে আসামি করে মামলা দায়ের করে। শুক্রবার দিবাগত রাত ৩টায় নুর উদ্দিন হিমেল ও মঞ্জু নামে দুইজনকে পুলিশ আটক করেছে। দাগনভূঞা বাজারে উভয় গ্রুপের মহড়ায় থমথমে পরিবেশ বিরাজ করছে। দাগনভূঞা থানার ওসি আবুল ফয়সল ইত্তেফাককে জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েনসহ আমরা প্রস্তুত রয়েছি। দাগনভূঞা উপজেলা ছাত্রলীগ আহ্বায়ক একরাম উল্যাহ জানান, আমাদেরকে না জানিয়ে ছাত্রলীগের জুনিয়র কর্মীকে দিয়ে পকেট কমিটি করা হয়েছে।
