বগুড়ার মহাস্থানড়গড়ের ইতিহাস নিয়ে মঞ্চে আসছে প্রত্ননাটক ‘মহাস্থান’। সম্প্রতি বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমীতে নাটকটির মহড়া অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ শিল্পকলা একডেমি প্রযোজিত এই প্রত্ননাটকটি ৩৫০ জন শিল্প-কলাকুশলীর অংশগ্রহণ করে।
এর আগেও বিভিন্ন প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান নিয়ে প্রত্ননাটক করছে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি। এরই ধারাবাহিকতায় ‘মহাস্থান’ মঞ্চায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ড. সেলিম মোজাহার-এর রচনা ও লিয়াকত আলী লাকীর নির্দেশনায় আগামী ২৩ ও ২৪ নভেম্বর বগুড়ার মহাস্থানগড়ে প্রযোজনাটির উদ্বোধনী মঞ্চায়ন অনুষ্ঠিত হবে। এর আগে চুড়ান্ত প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ২০-২২ নভেম্বর বগুড়ার মহাস্থানগড়ে মহড়া অনুষ্ঠিত হবে। এই নাটকে দর্শকরা দেখবেন প্রত্ননিদর্শন মহাস্থানগড়ের রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক ইতিহাসের শৈল্পিক উপস্থাপনা।
২৩ নভেম্বর ২০১৮ সন্ধ্যা ৬টায় প্রথম মঞ্চায়নের উদ্বোধন করবেন সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. নাসির উদ্দিন আহমেদ, প্রধান অতিথি হিসেব উপস্থিত থাকবেন কথাসাহিত্যিক অধ্যাপক হাসান আজিজুল হক। বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন মঞ্চসারথি আতাউর রহমান, নাট্যজন অধ্যাপক আবদুস সেলিম প্রমুখ।
নাটকটির নির্দেশন লিয়াকত আলী লাকী বলেন, ‘পৃথিবীতে এভাবে আর্কিও ড্রামার ইতিহাস নেই। এর কাজ প্রত্ন-ইতিহাসকে দৃশ্যকাব্যে রূপান্তরিত করে শিল্পে রূপ দেয়া। মহাস্থানের গৌরবোজ্জ্বল আখ্যানের ভিতর দিয়ে সমগ্র বাংলার মহাস্থান হয়ে ওঠার গল্প। মহাস্থান, কোটি বছরজুড়ে এ-মটির জেগেওঠার কথা। হাজার হাজার বছর ধরে তার মানব বসতির কথা।’
নাট্যকার সেলিম মোজহার বলেন, ‘বাঙলার প্রাচীনতম রাজধানী পুন্ড্রনগরের মহাস্থনকে কেন্দ্রভূমিতে রেখে-মহামুনি গৌতম বুদ্ধের বাঙলায় আগমনকাল থেকে ১৯৭১-এর বাংলাদেশ কালব্যক্তির এ-নাট্য-আখ্যানে পুরো গল্পটাকে এক সাথে বলার চেষ্টা হয়েছে।
