সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট, মনোটেকনিক ইনস্টিটিউট ও টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজের চলমান দ্বিতীয় শিফটের সম্মানী ভাতা জটিলতা নিরসনের দাবি জানিয়েছেন শিক্ষক-কর্মচারীরা। গতকাল জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুর হোসেন হলে এক সংবাদ সম্মেলনে কারিগরি শিক্ষক-কর্মচারীদের তিনটি সংগঠন এই দাবি জানিয়েছে। বাংলাদেশ পলিটেকনিক শিক্ষক সমিতি (বাপশিস) বাংলাদেশ পলিটেকনিক শিক্ষক পরিষদ (বাপশিপ), টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ শিক্ষক সমিতি ও পরিষদ এবং বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর ও অধিদপ্তরাধীন কর্মচারি সমিতি (বাকাশিঅকস) সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে।
সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষকরা দ্বিতীয় শিফটের ভাতা মূল বেতনের ১০০ ভাগে উন্নীতকরণের লক্ষ্যে বর্তমান সরকারের নিকট জোর দাবি জানান। দাবি বাস্তবায়ন না করা হলে আন্দোলনের কর্মসূচিও ঘোষণা করা হয়। কর্মসূচির মধ্যে আছে- ৫ মার্চ দ্বিতীয় শিফটে প্রতীকী ক্লাস বর্জন, ৯ মার্চ স্থানীয় ও কেন্দ্রীয়ভাবে ডিসি অফিস বা প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন, ১৪ মার্চ কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরে অবস্থান, ১৮ থেকে ২১ মার্চ পর্যন্ত দ্বিতীয় শিফটে কর্মবিরতি। দাবি আদায় না হলে ২৮ মার্চ থেকে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি। শিক্ষকরা জানান, তারা ২০১৮ সালের জুন পর্যন্ত ২০১৫ জাতীয় বেতন স্কেল অনুযায়ী ৫০ ভাগ হারে দ্বিতীয় শিফটের ভাতা উত্তোলন করেছেন। কিন্তু এরপর থেকে আর ভাতা উত্তোলন করতে পারছেন না। এতে শিক্ষক-কর্মচারিদের মধ্যে ব্যাপক হতাশা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন বাপশিস’র কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সাধারণ সম্পাদক এ. এম. জহিরুল ইসলাম। সভাপতিত্ব করেন বাপশিপ’র সভাপতি প্রকৌশলী মো. তাহের জামিল।
