সরে দাঁড়াচ্ছে ছাত্রলীগের বিদ্রোহী প্যানেল

আপডেট : ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ০১:০১

তিন দশক পর অনুষ্ঠেয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছে ছাত্রলীগ। আওয়ামী লীগের হাইকমান্ডের নির্দেশনা অনুযায়ী দলের কেন্দ্রীয় নেতারা সোমবার রাতে ছাত্রলীগের বিদ্রোহী প্যানেলের নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন। আড়াই ঘণ্টা বৈঠক শেষে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতাদের কাছে ক্ষোভ আর হতাশা প্রকাশ করে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নেন ছাত্রলীগের বিদ্রোহী প্যানেলের নেতারা। আজ মঙ্গলবার বেলা ১১টায় মধুর ক্যান্টিনে এই প্যানেল প্রত্যাহারের ঘোষণা দেবেন তারা।

সোমবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে সংবাদ সম্মেলন করে প্যানেল ঘোষণা করেন ছাত্রলীগের সোহাগ-জাকির কমিটির কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি সোহান খান। নির্বাচনে ছাত্রলীগের প্যানেল ঘোষণার একদিন পর সংগঠনটির একাংশের নেতারা এই পৃথক প্যানেল ঘোষণা করে।

ছাত্রলীগের পৃথক প্যানেল ঘোষণার পরই টনক নড়ে ডাকসু নির্বাচন নিয়ে আওয়ামী লীগের সমন্বয় কমিটির। কমিটির প্রধান সমন্বয়ক জাহাঙ্গীর কবীর নানকের নেতৃত্বে একটি টিম সোমবার রাতে পৃথক প্যানেলের প্রথম চারজন নেতার সঙ্গে রুদ্ধদার বৈঠক করেন। জানা গেছে, আলোচনায় উপস্থিত প্যানেল নেতারা বর্তমান ছাত্রলীগের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকের ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করে বক্তব্য দেন। তাদের স্বেচ্ছাচারিতার নানা ফিরিস্তি তুলে ধরেন। পরে কেন্দ্রীয় নেতারা তাদের এ বিষয়ে আশস্ত করেন। দলের সিদ্ধান্ত মেনে প্যানেল প্রত্যাহারের আহ্বান জানান তারা। কেন্দ্রীয় নেতাদের এই আহ্বানে পৃথক প্যানেলের নেতারা নির্বাচন থেকে সরে আসার সিদ্ধান্ত নেন। বৈঠকে অন্যান্যের মধ্যে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আ ফ ম বাহা উদ্দিন নাছিম, বিএম মোজাম্মেল হক প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

প্রসঙ্গত, ছাত্রলীগ থেকে ডাকসুর সহ-সভাপতি (ভিপি) পদে সংগঠনের সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন, সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী এবং সহ-সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) পদে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসাইন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।