সিরিয়ার শরণার্থী শিবিরে পুনরায় খাদ্যসহায়তা শুরু

আপডেট : ১০ ডিসেম্বর ২০১৪, ১৬:৫১
 
 
 
সিরিয়ার শরণার্থীদের আবার খাদ্যসহায়তা দিতে শুরু করেছে বিশ্ব খাদ্য সংস্থা (ডব্লিউএফপি)। যথেষ্ট অনুদান পাওয়ার পর বন্ধ হয়ে যাওয়া এ কার্যক্রম পুনরায় শুরু করেছে সংস্থাটি। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার সংস্থাটির পক্ষ থেকে এ খবর জানানো হয়েছে। খবর আল-জাজিরার।
অর্থাভাবে গত সপ্তাহে সহায়তা বন্ধ করে দেয়ার ঘোষণা দেয় জাতিসংঘের এ সংস্থাটি। ফলে শরণার্থী শিবিরের বাইরে অবস্থানরত লোকজনের খাদ্যসাহায্য বন্ধ হয়ে যায়। সংস্থাটি জানিয়েছে— এখন অব্দি ৮ কোটি ডলার অর্থ সংগ্রহ করা গেছে। এতে একেকটি পরিবারের প্রতিটি সদস্য ৩০ ডলার করে পাবে। এ ছাড়া, পরবর্তী মাসের জন্য কিছু অর্থ থেকে যাবে। তারা আরো জানায়— এ সব অর্থের বেশির ভাগ সদস্য দেশের সরকারের পক্ষ থেকে এসেছে। আর ব্যক্তিগত ও বেসরকারি খাত থেকে পাওয়া গেছে ১৮ লাখ ডলার। তবে কোন কোন দেশ এ অর্থ সরবরাহ করেছে, সে সম্পর্কে কোনো কিছু জানানো হয়নি। ‘এত কম সময়ে এ পরিমাণ সাহায্য আসা সত্যিই নজীরবিহীন’ বলেন  ডব্লিউএফপির নির্বাহী পরিচালক ইথারিয়ান কাসিন।
জর্ডান, লেবানন, তুরস্ক, ইরাক  ও মিসরে মোট ১৭ লাখ সিরীয় শরণার্থী রয়েছে। আর এ সহায়তার  মাধ্যমে এ সব মানুষের অন্নের সংস্থান হবে। সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী— সিরিয়ার অভ্যন্তরে এবং প্রতিবেশি দেশগুলোতে খাদ্যের জোগান দিতে সপ্তাহে ৩ কোটি ৫০ লাখ ডলার খরচ পড়বে। শরণার্থীরা জানিয়েছেন— এ অর্থ না আসলে তাদের খাওয়া বন্ধ হয়ে যেত, তাদের শিশুদের শিক্ষা দিতে পারত না। এমনকি এ শীতে তাদের তাঁবুতে থাকাই দঃসহ হয়ে উঠত।
এ দিকে, ডব্লিউএফপির এক মুখপাত্র জানিয়েছেন— সহায়তা দেওয়ার ক্ষেত্রে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ শরণার্থীদের সর্বাগ্রে বিবেচনা করা হবে। সিরিয়ায় বেসামরিক যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর এ নিয়ে চারটি শীত কাটিয়ে দিল দেশটির নিপীড়িত জনগণ। এ সময়ে ৪০ লাখেরও বেশি মানুষ গৃহহীন হয়েছে।