যশোরে এমপিকে ধাওয়া, গুলি-লাঠিচার্জে আহত ২০

আপডেট : ১৭ ডিসেম্বর ২০১৪, ১৯:১৫
 
ওয়ার্ড সম্মেলন শেষ না করেই বাঘারপাড়া উপজেলার জহুরপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সম্মেলন করায় স্থানীয় নেতাকর্মীরা ক্ষুব্ধ হয়ে যশোর-৪ আসনের এমপি রণজিত রায়সহ নেতাদের ধাওয়া করেছেন। বুধবার বিকেলে বাঘারপাড়ার বেতালপাড়া বাজারে এ ঘটনা ঘটে।
এসময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে পুলিশ রাবার বুলেট ছুড়েছে। এতে তিনজন গুলিবিদ্ধসহ আহত হয়েছেন অন্তত ১৫-২০ জন।
গুলিবিদ্ধ তিনজন হলেন, হুলদা গ্রামের শরিফুল ইসলাম (৩০), দক্ষিণ সলুয়া গ্রামের মহিন (২০), হুলিহট্ট গ্রামের মাসুদ (২৫)।
এছাড়া পুলিশের লাঠিচার্জে আহত হয়েছেন হুলদা গ্রামের নাইম (২২), টিপু (৩০), আজিজুরসহ (২৫) আরও অজ্ঞাত কয়েকজন। আহতদের যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল ও বাঘারপাড়া স্থাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, জহুরপুর ইউনিয়নের ৪টি ওয়ার্ডের সম্মেলন শেষ না করেই ১৭ ডিসেম্বর ইউনিয়ন কমিটি গঠনের তারিখ ঘোষণা করেন উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে উপজেলা নেতৃবৃন্দকে ধাওয়া করেন সাধারণ কর্মীরা। কর্মীদেও ধাওয়া খেয়ে যশোর-৪ আসনের এমপি ও বাঘারপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি রণজিত্ কুমার রায় দৌড়ে একটি ঘরে আশ্রয় নেন। নেতাকর্মীরা তাকে একঘন্টা অবরুদ্ধ করে রাখেন। পরে অতিরিক্তি পুলিশ গিয়ে তাকে মুক্ত করেন। আর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জুলফিক্কার আলী জুলাইসহ অন্য নেতারা পালিয়ে যান।
ঘটনাস্থলে উপস্থিত উপজেলা যুবলীগের নেতা ও জহুরপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান দিলু পাটোয়ারি জানান, জহুরপুর ইউনিয়নের ৩, ৪,৭ ও ৮ ওয়ার্ড ৪টিতে কমিটি গঠন না করেই উপজেলা থেকে ইউনিয়ন কমিটি গঠনের জন্য বুধবার বিকেলে নেতৃবৃন্দ বেতালপাড়া বাজারে আসেন। এতে স্থানীয় নেতাকর্মী ক্ষুব্ধ হয়ে তাদের ধাওয়া করলে পুলিশ গুলিবর্ষণ করে।
বাঘারপাড়া থানার ওসি কাইয়ুম আলী সরদার জানান, আওয়ামী লীগের দু’পক্ষে সংঘর্ষ হয়েছে। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাবার বুলেট ছুড়েছে। তবে এমপি অবরুদ্ধের বিষয়ে ওসি অস্বীকার করেন।