মিঠাপুকুরে ২০৮ জনে বরাদ্দ মাত্র একটি ভিজিডি কার্ড!

আপডেট : ২০ ডিসেম্বর ২০১৪, ১৭:০৪
 
 
 
 
রংপুরের মিঠাপুকুরে ২০৮ জনের জন্য এবার বরাদ্দ এসেছে একটি ভিজিডি কার্ড। অপর দিকে, তারাগঞ্জে এসেছে ৫৩ জনে ১টি কার্ড। জেলার বৃহত্তম মিঠাপুকুর উপজেলায় কম সংখ্যক কার্ড বরাদ্দ হওয়ায় উপকারভোগীর তালিকা তৈরি করতে হিমশিম খাচ্ছেন জনপ্রতিনিধিরা।
জানা গেছে, মিঠাপুকুরের লোকসংখ্যা ৫ লাখ ২৭ হাজার ৪৫৭। এর বিপরীতে ভিজিডি কার্ড বরাদ্দ  হয়েছে মাত্র ২ হাজার ৫৪৮টি। সে হিসাবে ২০৮ জনের মধ্যে মাত্র ১ জনকে ভিজিডি কার্ড বরাদ্দ দেয়া হবে। অপর দিকে, পীরগঞ্জের লোকসংখ্যা ৪ লাখ ১৮৫ জন। ভিজিডি কার্ড বরাদ্দ পেয়েছে ২ হাজার ৫৫৩টি। সবচেয়ে ছোট উপজেলা তারাগঞ্জ। এর লোক সংখ্যা ১ লাখ ৪৭ হাজার ৯৪৮ জন। এ উপজেলা ভিজিডি কার্ড বরাদ্দ পেয়েছে ২ হাজার ৭৮৩টি। এখানকার সবচেয়ে বড় উপজেলা মিঠাপুকুর। সেখানে আনুপাতিক হারে সর্বাধিক কম বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।
মিঠাপুকুর ইউপি চেয়ারম্যান সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও দুর্গাপুর ইউপি চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম প্রামানিক বলেন, উপজেলার ১৭ ইউনিয়নে প্রায় ৬ লাখ মানুষের বসবাস। অথচ এখানে ভিজিডি কার্ড বরাদ্দ সবচেয়ে কম। ফলে হতদরিদ্রের চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হচ্ছে না। এ দিকে, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহা. হারুন-অর রশিদ বলেন, যে সব উপজেলায় হতদরিদ্র পরিবারের বসবাস বেশি, সে সব উপজেলায় ভিজিডি কার্ড কিছুটা হলেও বরাদ্দ বেশি পেয়েছে।