‘তরুণ প্রজন্মই মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধরে রাখবে’

আপডেট : ২০ ডিসেম্বর ২০১৪, ২১:০৮
 
 
একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী মুক্তিযোদ্ধাদের মিলনমেলা উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তারা বলেছেন, আমরা যারা যুদ্ধ করেছি, তারা দিন দিন পরপারে চলে যাচ্ছি। এতে করে মুক্তিযোদ্ধাদের সংখ্যাও কমে যাচ্ছে। যুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাস, ঘটনা আমাদেরকেই তরুণ প্রজন্মরে সামনে লেখনীর মাধ্যমে তুলে ধরতে হবে। মুক্তিদ্ধের চেতনা আমাদের সন্তানদেরকে অনুপ্রাণিত করতে হবে। কারণ বর্তমান প্রজন্মই এ চেতনা ভষ্যিতে টিকিয়ে রাখবে।
শনিবার রাজধানীর একটি ক্লাবে ‘স্মৃতিতে মুক্তিযুদ্ধ’ শীর্ষক গ্রন্থের প্রকাশনা অনুষ্ঠান উপলক্ষে এ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ড. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান কামাল,  সাবেক সেনা প্রধান লে. জে. (অব.) হারুন অর রশীদ, মাহজাবিন খালেদ এমপি, মাহবুব উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম, বাহার উদ্দিন রেজা বীর প্রতিক, ড. শাহ আলম, নারী মুক্তিযুদ্ধা পদ্মা রহমান, অধ্যাপক আইনুন নিশাত, ইশতিয়াক আহেমদ প্রমুখ।
এ সময় বিভিন্ন সেক্টরের অধীনে যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী মুক্তিযোদ্ধারা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সাংবাদিক অজয় দাশগুপ্ত। আলোচনা শেষে আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম এ মালেক এর লেখা ‘স্মৃতিতে মুক্তিযুদ্ধ’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করেন।
বাহার উদ্দিন রেজা বীর বিক্রম বলেন, যুদ্ধের অনেক স্মৃতি হূদয়বিদারক ঘটনা নিয়ে আমরা বেঁচে আছি। এসব স্মৃতি-ইতিহাস হারিয়ে যাচ্ছে। এসব বিষয় লেখনীর মাধ্যমে তরুণ প্রজন্মের সামনে তুলে  ধরলে মুক্তিযুদ্ধের অস্তিত্ব ভবিষ্যতে টিকে থাকবে।
মাহবুব উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম বলেন, বঙ্গবন্ধুর হত্যাকা্লের বিচার হয়েছে। যুদ্ধাপরাধীর বিচার শুরু হয়েছে। একাত্তারে নির্মম হত্যাযজ্ঞের জন্য পাক হানাদার বাহিনীদেরকে বিচারের আওতায় নিয়ে আসতে হবে।
মাহজাবীন খালেদ এমপি বলেন, আপনার যারা মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছেন আপনাদের লেখা বই পড়ে আমাদের পরবর্তী প্রজন্ম যুদ্ধের ইতিহাস জানতে পারবে।