ওসমানী নগরে গ্রেফতার আতঙ্কে দোকানপাট বন্ধ রাখছেন ব্যবসায়ীরা

আপডেট : ২২ ডিসেম্বর ২০১৪, ০১:০৬

সিলেটের ওসমানীনগরের গোয়ালাবাজারে শ্রমিকদের সংঘর্ষ থামাতে গিয়ে ওসি নিহত হওয়ার পর থেকে উপজেলার প্রধান প্রধান বাণিজ্যিক কেন্দ্রগুলো ক্রেতা শূন্য হয়ে পড়ছে। অধিকাংশ ব্যবসায়ী গ্রেফতার আতঙ্কে ও ক্রেতা শূন্য থাকায় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে রেখেছেন। অন্যদিকে সিএনজি চালাতে না পাড়ায় অনাহার অর্ধাহারে দিন কাটাচ্ছে উপজেলার হাজার হাজার অটোরিকশা শ্রমিকের পরিবার। অটোরিকশাকে মহাসড়কে উঠতে না দেয়ার জন্য উপজেলার প্রধান প্রধান স্থানে পুলিশ টহল বসানো হয়েছে। গত চার দিনে কাগজপত্রে ত্রুটির কারণে সিএনজি চালিত অটোরিকশা আটক করে প্রায় ২৫০টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। শনিবার বিকালে সিলেট জেলা অটোরিকশা শ্রমিক ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভায় গোয়ালাবাজারে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির দায়ে শ্রমিক নেতা পিয়ার আলীসহ শাখার ২৫ জন সদস্যকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। আগামী ২৫ ডিসেম্বরের মধ্যে অহেতুক পুলিশী হয়রানি বন্ধ না হলে ২৬ ডিসেম্বর থেকে অটোরিকশা শ্রমিক সংগঠনের পক্ষ থেকে আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলে জানান কেন্দ্রীয় নির্বাহী সভাপতি মোহাম্মদ জাকারিয়া।

এদিকে উপজেলা বিএনপির পক্ষ থেকে অধিকাংশ বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের আসামি করা হয়েছে এমন দাবি করা হলেও মামলার এজাহার যাচাই করে জানা গেছে উল্লিখিত ১০০ জন আসামির মধ্যে দলীয়ভাবে প্রায় ৪০ জন রয়েছেন আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের কর্মী। বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত আছেন এমন আসামির সংখ্যা ৫/১০ জন।