ফেব্রুয়ারির ২ তারিখে অনুষ্ঠিত হবে এসএসসি পরীক্ষা। এ পরীক্ষায় অংশ নেয়ার কথা রয়েছিল অনিক-হূদয়ের। কিন্তু দুর্বৃত্তদের ছোড়া বোমার আঘাতে তাদের সেই স্বপ্ন এখন অনিশ্চিত।
সোমবার বিকাল পৌনে ৫টার দিকে শহরের খেজুর চত্বরে মুখোশধারী দুর্বৃত্তদের ছোড়া বোমার আঘাতে মিনহাজুল ইসলাম (১৫) ও শাহরিয়ার হূদয় (১৬) নামের ২ জন স্কুল ছাত্র গুরুতর আহত হয়। এতে হূদয়ের চোখ উপড়ে গেছে ও অনিকের শরীরের বহু অংশ ঝলসে যায়। আহত হূদয়কে স্থানীয় প্রাইম চক্ষু হাসপাতালে ও অনিককে ফেনী আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। পরে অনিককে গুরুতর আহত অবস্থায় ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল ও হূদয়কে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।
ফেনী আধুনিক সদর হাসপাতালের আবাসিক অফিসার অসীম কুমার জানান, তারা যে পরিমাণ আহত হয়েছে তাতে তাদের আগামী ২ ফেব্রুয়ারির পরীক্ষা দেয়া সম্ভব নয়।
অনিকের বাবা মিজান বলেন, আমার ছেলে কি অপরাধ করেছিল? কেন তার শরীর ঝলসে দেয়া হলো। ওতো কোন রাজনৈতিক কমসূচিতে যায়নি গিয়েছিলো প্রাইভেট পড়তে।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্র জানায়, সোমবার বিএনপি-জামায়াত ও সরকার দল আওয়ামী লীগ শহরে পাল্টা-পাল্টি কমসূচি ঘোষণা করে। শহরের শহীদ মিনার চত্বরে আওয়ামী লীগ জনসভার আয়োজন করে অন্যদিকে বিএনপি-জামায়াত শহরের এসএসকে রোডে কালোপতাকা মিছিলের কর্মসূচি ঘোষণা করে। বিকাল সাড়ে চারটার দিকে হঠাত্ বিকট শব্দে শহরের খেজুর চত্বর এলাকায় বোমা বিস্ফোরণ ঘটে। ঐসময় এইদুই ছাত্র প্রাইভেট পড়া শেষে বাসায় ফেরার পথে আহত হয়।
আহত মিনহাজুল ইসলাম অনিক শহরের আড্ডাবাড়ী এলাকার মিজানুর রহমানের ছেলে ও শাহরিয়ার হূদয় শহরের রামপুর ইটালী ভবনের আবুল খায়েরের ছেলে।
