বইমেলা ২০২০ : দুটি প্রস্তাব

আপডেট : ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ২২:৪৭

অমর একুশে বইমেলা ২০২০ নিয়ে আমাদের এখনই ভাবতে হবে। ২০২০ সালের বইমেলা আরও সুন্দর ও সফল করার জন্য এবারের অভিজ্ঞতা থেকে দুটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই। এবারের ২১শে ফেব্রুয়ারি, ১৩ ও ১৪ই ফেব্রুয়ারি কিংবা শুক্র ও শনিবারগুলোতে দেখা গেছে, এখন একাডেমি ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের যে জায়গা নিয়ে বইমেলা হয় তা বিপুলসংখ্যক পাঠক-ক্রেতাকে ধারণ করার জন্য যথেষ্ট নয়। এছাড়া এবার প্রকাশকদের বর্ধিত স্টলের আবেদন বিবেচনা করা হয়নি। কিন্তু আগামীবার অবশ্যই তাদের এই আবেদন বিবেচনায় নিতে হবে। ফলে অন্তত আরও ১০০ ইউনিটের স্টল বেশি বানাতে হবে। আমাদের প্রস্তাব হলো, এখনকার বড় প্রবেশ পথটির উত্তরদিকে   অন্তত ১০০ ফুট প্রশস্ত নতুন একটি প্রবেশ পথ করা। আর বর্তমানের প্রবেশ পথটিকে বাহির পথ এবং মন্দিরের গেইটিকে আর একটি প্রবেশ পথ করা।

দ্বিতীয় প্রস্তাব হলো, বইমেলায় কেবল বাংলাদেশের লেখকদের বই বিক্রি হবে না কি অন্য দেশের লেখকদের বইও বিক্রি হবে এ সংক্রান্ত। বর্তমান নীতিমালার ৬.১ ধারায় স্পষ্ট বলা হয়েছে যে, অমর একুশে বইমেলায় কেবল বাংলাদেশের লেখকদের বাংলাদেশে মুদ্রিত বই বিক্রি করা যাবে। এই নীতিমালা মেনে চলার অঙ্গীকার করেই প্রকাশকেরা বইমেলায় অংশ নেন। কিন্তু প্রতিবারই দেখা যায়, প্রকাশকদের কেউ কেউ এই ধারা অমান্য করেন। এবার প্রথমে ১৭টি এবং পরে ১১টি প্রতিষ্ঠানকে নীতিমালা লঙ্ঘন করার জন্য কারণ দর্শানোর চিঠি দেয়া হয়। আমাদের প্রস্তাব হলো, এই ধারা সম্পর্কে সকল প্রকাশকের মধ্যে একটি চিন্তাগত ঐক্য ও দৃঢ় অবস্থান দরকার। এ-ক্ষেত্রে প্রকাশকদের সমিতিগুলোর এগিয়ে এসে সকল সদস্যের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেয়া উচিত।

 লেখক :সদস্য-সচিব, অমর একুশে গ্রন্থমেলা ২০১৯