জেলায় ভালুকা উপজেলা ছাত্রলীগের এক নেতাকে মারধরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে ভালুকা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ছাত্রলীগ ও শ্রমিক লীগের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে ভালুকা উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল হাসান পাঠান সাতিলসহ আহত হয় ১০ জন। এ সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ৬ রাউন্ড ছোররা গুলি করে পুলিশ।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, ঘটনার সময় স্থানীয় সংসদ সদস্য আমানউল্লাহ পক্ষের রওনক সিহাব খাজা ও লুেফ ওয়ালী রব্বানী ওলি এবং উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান গোলাম মোস্তফা পক্ষের কায়সার আহম্মেদ মনির ও ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল হাসান সাতিলের নেতৃত্বে দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এতে উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল হাসান সাতিল (২৭), রুবেল (২২), রফিকুল ইসলাম (২৭) শ্রমিক লীগ নেতা কায়সার আহম্মেদ মনির (৩৫), জামান (৩৫), মানিক (২০), সোহেল (৩৫), আনোয়ার (৩৫) ও জামালসহ (৪০) গুলিবিদ্ধ হয় ১০ জন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ এ সময় ৬ রাউন্ড ছোররা গুলি করে।
আহতদের মধ্যে ৫ জনকে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। এ সময় পুরো বাসস্ট্যান্ড এলাকায় রণক্ষেত্রে পরিণত হলে পথচারীরা ছুটাছুটি শুরু করে। এছাড়া ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে প্রায় ১ ঘন্টা যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। ভালুকা মডেল থানার ওসি গোলাম সারোয়ার জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ৬ রাউন্ড ফাঁকা গুলি করে। বর্তমানে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
