কক্সবাজারের টেকনাফে পৃথক অভিযান চালিয়ে এক লাখ আট হাজার ইয়াবাসহ দুই ব্যক্তিকে আটক করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন র্যাব-৭ ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ ( বিজিবি)।
র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন র্যাব-৭ কক্সবাজার ইনচার্জ সহকারী পুলিশ সুপার মো. দেলোয়ার হোসেন জানান, মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে ইয়াবার একটি বড় চালান এনে মজুদের এমন তথ্যের ভিত্তিতে র্যাবের একটি দল রবিবার রাত ১০টার দিকে উপজেলার সাবরাং ইউনিয়নের শাহপরীর দ্বীপ জালিয়াপাড়া এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় স্থানীয় বাসিন্দা নুরুল ইসলাম ওরফে নুরু বলির ছেলে আবদুল আমিনকে (২৬) আটক করা হয়। ওই সময় আরও কয়েকজন র্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যায়। আটক ব্যক্তির স্বীকারোক্তি মতে, তার বসতবাড়ির শয়ন কক্ষের মেঝের নিচ থেকে মাটি খুঁড়ে প্লাষ্টিকের জারিকেনের ভিতর থেকে দশটি পলিথিন মোড়ানো প্যাকেট থেকে এক লাখ ইয়াবা বড়ি পাওয়া যায়। যাহার ওজন ১০ (দশ) কেজি।
সহকারী পুলিশ সুপার আরও জানান, উদ্ধার করা ইয়াবার আনুমানিক মূল্য চার কোটি টাকা। এ ঘটনায় হাসু ওরফে শামীম (৩৩), মো. হোসেন কালা (৩৫), নূরা (২৯), আব্দুল করিম (৩২) ও মো. আয়াছকে (৩৫) পলাতক আসামি করে টেকনাফ থানায় একটি মাদক আইনে মামলার প্রক্রিয়া চলছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মৃত দুদু মিয়ার ছেলে মো. হোসেন কালা ও নুরা হচ্ছে উখিয়া-টেকনাফের বিতর্কিত সাংসদ সদস্য আবদুর রহমান বদির ফুফাত ভাই ও হাসু ওরফে শামীম হচ্ছে মো. হোসেন কালা ও নুরার আপন ভাগিনা।
অন্যদিকে, সোমবার বিকেল চারটার দিকে প্রায় আট হাজার ইয়াবা বড়িসহ একব্যক্তিকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ ( বিজিবি)।
৪২ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. আবু জার আল জাহিদ জানান, গতকাল বিকেলে নাজিরপাড়া চৌকির হাবিলদার আব্দুল মজিদের নেতৃত্বে সাবরাং ইউনিয়নের লেজিরপাড়া মাঠ সংলগ্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে সাত হাজার ৭৪২ পিস ইয়াবাবড়িসহ মো. রমজান (১৯) কে আটক করা হয়। সে একই ইউনিয়নের পানছড়িপাড়ার বাসিন্দা আবু ছিদ্দিকের ছেলে। আটক ব্যক্তিকে পুলিশে সোর্পদ করে মাদক আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে।
