যানবাহনে জ্বালানি পোড়ানোর ফলে বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাইঅক্সাইড নির্গত হয়
বিজ্ঞান
বায়ু
৪.পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্যাস বেড়ে যাওয়ার কারণগুলো পাঁচটি বাক্যে লেখ। উত্তর :পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্যাস বেড়ে যাওয়ার কারণ—
১.যানবাহনে জ্বালানি পোড়ানোর ফলে বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাইঅক্সাইড নির্গত হয়।
২.কলকারখানায় কয়লা, পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহারের কারণে কার্বন ডাইঅক্সাইড উত্পন্ন হয়।
৩.পরিবেশে শুকনা গাছের ডাল, পাতা ইত্যাদি পোড়ালে কার্বন ডাইঅক্সাইড উত্পন্ন হয় যা পরিবেশ দূষিত করে।
৪.বনজঙ্গল ধ্বংসের কারণে গাছপালা সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় খাদ্য উত্পাদনে পরিবেশের কার্বন ডাইঅক্সাইড ব্যবহার করতে পারে না।
৫.ইটের ভাটা থেকে নির্গত কার্বন ডাইঅক্সাইড বায়ুমণ্ডলে গ্যাসটির পরিমাণ বৃদ্ধির একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ।
৫.বায়ু দূষণ কী? বায়ু দূষণ রোধের চারটি উপায় লেখ।
উত্তর : বায়ুর স্বাভাবিক উপাদানের পরিবর্তন হওয়াকে বায়ুদূষণ বলে। বায়ু দূষণ রোধের চারটি উপায় হলো—
১.কালো ধোঁয়া উত্পাদন করে এমন যানবাহনের ব্যবহার বন্ধ করা।
২.ইটের ভাটা লোকালয় থেকে দূরে স্থাপন করা।
৩.কলকারখানায় কম জ্বালানী ব্যবহূত হয়, এমন উন্নত প্রযুক্তি উদ্ভাবন করা।
৪.বনভূমি সংরক্ষণ করা ও গাছ লাগিয়ে নতুন বনভূমি সৃষ্টি করা।
৬.ধূমপান ক্ষতিকর কেন? বায়ুদূষণ রোধের ৫টি উপায় লেখ।
উত্তর : ধূমপানের ফলে কার্বন ডাইঅক্সাইড নির্গত হয় যা বায়ুকে দূষিত করে ও বৈশ্বিক উষ্ণায়নের অন্যতম প্রধান কারণ। ধূমপায়ী ব্যক্তি মুখে ঘা, ফুসফুস ক্যান্সারসহ নানারকম জটিল রোগে ভোগে। ধূমপানকারী ব্যক্তির আশে পাশে থাকা লোকজনও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তাই বলা যায়, ধূমপান সবার জন্যই ক্ষতিকর।
বায়ুদূষণ রোধের উপায়—
১.কালো ধোঁয়া উত্পাদন করে এমন যানবাহন ব্যবহার বন্ধ করা।
২.ইটের বাটা লোকালয় থেকে দূরে স্থাপন করা।
৩.কম জ্বালানি ব্যবহূত হয়, এমন উন্নত প্রযুক্তি উদ্ভাবন করা।
৪.ধূমপান না করা, বিশেষ করে জনসমাগমে ও বদ্ধ স্থানে ধূমপান না করা।
৫.বনভূমি সংরক্ষণ করা ও গাছ লাগিয়ে নতুন বনভূমি সৃষ্টি করা।
