‘আন্তর্জাতিক শিশু চলচ্চিত্র উত্সব’-এর ১২তম আসর ‘ফ্রেমে ফ্রেমে আগামীর স্বপ্ন’—শ্লোগানে শুরু হতে যাচ্ছে আগামী ২ মার্চ। এই উপলক্ষে গত মঙ্গলবার দুপুর ১২টায় অঁলিয়স ফ্রঁসেজে উত্সববিষয়ক একটি সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চিলড্রেনস ফিল্ম সোসাইটি বাংলাদেশের সভাপতি মুহম্মদ জাফর ইকবাল, শিশুতোষ চলচ্চিত্র নির্মাতা মোরশেদুল ইসলমা, উত্সব পরিচালক মোহাম্মদ আবীর ফেরদৌস ও চিলড্রেনস ফিল্ম সোসাইটি বাংলাদেশের সাধারণ সম্পাদক মুনিরা মোরশেদ মুননি।
উত্সব প্রসঙ্গে মুহম্মদ জাফর ইকবাল বলেন, ‘আমি সবাইকে অনুরোধ করছি, বিশেষ করে শিশু-কিশোরদের। তারা যেন এই উত্সবে আসে। কারণ এত সুন্দর পরিবেশে এত সহজে ফিল্ম দেখার সুযোগ কিন্তু পাওয়া যাবে না। এছাড়াও আমি অভিভাবকদের বলবো, তারা যেন সন্তানদের নিয়ে এই উত্সবে আসেন। শিশুদের মানসিক বিকাশের জন্য এ ধরনের আয়োজনে তাদের অংশ নেওয়া উচিত।’
ঢাকায় মূল উত্সব কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহূত হবে কেন্দ্রীয় পাবলিক লাইব্রেরির শওকত ওসমান মিলনায়তনটি। উদ্বোধনী দিন ছাড়া প্রতিদিন সকাল ১১টা, দুপুর ২টা, বিকেল ৪টা ও সন্ধ্যা ৬টায় মোট ৪টি প্রদর্শনী হবে। এবারের উত্সবে ঢাকাতে মোট ৪টি ভেন্যুতে ৩২টি দেশের ১৭৯টি শিশুতোষ চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হবে। প্রতিটি প্রদর্শনীতে একাধিক শিশুতোষ চলচ্চিত্র দেখানো হবে। উত্সবের সকল প্রদর্শনী অভিভাবক, শিশু-কিশোরসহ সবার জন্য উন্মুক্ত।
উত্সব প্রসঙ্গে মোরশেদুল ইসলাম বলেন, ‘আমাদের শিশুদের জন্য দারুণ একটি আয়োজন এই উত্সবটি। আমি বিশ্বাস করি এ ধরনের উত্সব শিশুদের চলচ্চিত্রের প্রতি আগ্রহ তৈরি করবে। অভিভাবকদের প্রতি অনুরোধ থাকবে নিজেদের সন্তানকে নিয়ে উত্সবে আসার জন্য। এতে শিশু-কিশোরের সৃজনশীল চর্চার প্রতিও উদ্যোম জোগাবে।’
এবারের উত্সবে ৩২টি দেশের ১৭৯টি ছবি দেখানো হবে। আসছে ২ মার্চ বিকেল ৪টায় শাহবাগের পাবলিক লাইব্রেরিতে আসরের উদ্বোধনী আনুষ্ঠানিকতার আয়োজন করা হবে। উদ্বোধনীর দিন প্রদর্শন করা হবে ভারতীয় পরিচালক পিয়ুস পানজুয়ানি পরিচালিত চলচ্চিত্র ‘৫ রুপিস’। এ উত্সবের আয়োজন করেছে চিলড্রেনস ফিল্ম সোসাইটি বাংলাদেশ।
‘আমি সবাইকে অনুরোধ করছি, বিশেষ করে শিশু-কিশোরদের। তারা যেন এই উত্সবে আসে। কারণ এত সুন্দর পরিবেশে এত সহজে ফিল্ম দেখার সুযোগ কিন্তু পাওয়া যাবে না। এছাড়াও আমি অভিভাবকদের বলবো, তারা যেন সন্তানদের নিয়ে এই উত্সবে আসেন।
—মুহম্মদ জাফর ইকবাল
‘আমাদের শিশুদের জন্য দারুণ একটি আয়োজন এই উত্সবটি। আমি বিশ্বাস করি এ ধরনের উত্সব শিশুদের চলচ্চিত্রের প্রতি আগ্রহ তৈরি করবে। অভিভাবকদের প্রতি অনুরোধ থাকবে নিজেদের সন্তানকে নিয়ে উত্সবে আসার জন্য।
—মোরশেদুল ইসলাম
