মোবাইল ওয়ার্ল্ড কংগ্রেসে ডিজিটাল বাংলাদেশ

আপডেট : ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ২০:৫৬

স্পেনের বার্সেলোনায় মোবাইল ওয়ার্ল্ড কংগ্রেসে ডিজিটাল বাংলাদেশের বিস্ময়কর অগ্রগতির চিত্র তুলে ধরেছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার। মোবাইল ওয়ার্ল্ড কংগ্রেসের ইতিহাসে এই প্রথম বাংলাদেশের পক্ষে মূলপ্রবন্ধ উপস্থাপিত হলো। জিএসএম-এর আয়োজনে বিশ্বের সবচেয়ে বড় এই টেলিযোগাযোগ প্রযুক্তি প্রদর্শনীতে উপস্থিত ছিলেন বিশ্বের বড় বড় টেলিযোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান, দেশগুলোর রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রক ও পলিসি পর্যায়ের প্রতিনিধিরা।

গত মঙ্গলবার মোস্তাফা জব্বার স্পেনের বার্সেলোনায় ফিরা গ্রেন হলে  মিনিস্ট্রিরিয়াল কনফারেন্সে মূলপ্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। বিটিআরসির চেয়ারম্যান মো. জহুরুল হকসহ বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের অন্যান্য সদস্যগণ এসময় উপস্থিত ছিলেন।

 ‘মোবাইল ইনফ্রাস্টাকচার : ইজ ইউর পলিসি ফিট ফর পারপাস ?’ শীর্ষক মূলপ্রবন্ধে ২০০৮ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত ভিশন ২০২১, জ্ঞানভিত্তিক সমাজ বিনির্মাণের মাধ্যমে ২০৪১ সালে উন্নত জাতি বিনির্মাণ এবং ২১০০ সালের মধ্যে বদ্বীপ পরিকল্পনা করছে সেগুলো তুলে ধরেন। মন্ত্রী গত দশ বছরে ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণের অগ্রগতি ও ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহার করে বাংলাদেশের অভাবনীয় অগ্রগতি নিয়ে আলোকপাত করেন।

বাংলাদেশ ফাইভজি প্রযুক্তিতে প্রবেশ করছে ২০২১  থেকে ২০২৩ এর মধ্যে। তার কী প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে এবং ডিজিটাল শিল্পবিপ্লবে বাংলাদেশের অগ্রযাত্রাসহ  ধারাবহিকভাবে উচ্চপ্রবৃদ্ধিসহ বিভিন্ন আর্থসামাজিক বৈশ্বিক সূচকে বাংলাদেশের অগ্রযাত্রার বিষয়গুলো আলোচনায় উঠে আসে।

প্রযুক্তিকে কীভাবে পলিসি ফ্রেমওয়ার্কে সম্পৃক্ত করা হয়,  প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে অর্থনৈতিক উন্নয়নের দিকে যেতে পারে তা বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেন তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার।

 এছাড়াও তিনি বাংলাদেশের তৃণমূল পর্যায়ে মানুষের কাছে তথ্যপ্রযুক্তি কীভাবে পৌঁছে গেছে, ইউনিয়ন পর্যায়ে ফাইবার কানেক্টিভিটি এবং উপজেলা পর্যায়ে ফাইবার কানেক্টিভিটির যে দুয়ার খুলে দিয়েছে এবং  যে জায়গাতে বাংলাদেশ সরকার বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে ফাইবার কানেক্টিভিটিগুলোকে নিশ্চিত করছে সেটাকেও তুলে ধরেন।

সেশনটিতে ফাইভজি অ্যান্ড দ্য সিটি, ডাটা প্রাইভেসি : স্ট্রেথিং লাইন্স অব ট্রাস্ট নিয়ে আরও দুটি মূলপ্রবন্ধ উপস্থাপিত হয়।

মালেয়শিয়ার কমিউনিকেশন এবং মাল্ডিমিডিয়া মন্ত্রীসহ প্যানেলে ছিলেন ওরেঞ্জ গ্রুপ, ওয়ার্ল্ড ব্যাংক গ্রুপ এবং ডচেস টেলিকমের শীর্ষ কর্মকর্তারা। সেশন মডারেট করেন ফ্লিন্ট গ্লোবালের এড রিচার্ডস।

মূলপ্রবন্ধ উপস্থাপনের  পর প্যানেল ডিসকাশনে বাংলাদেশের কথা  উদাহরণ হিসেবে বারবার আলোচনায় এসেছে। পরবর্তীতে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রীর একটি ভিডিও ইন্টারভিউও নিয়েছে জিএসএমএ।