সাংবাদিক কন্যা ফাহমিদা আক্তারের (বীথুন) হত্যাকাণ্ডের পর ঐ বাসা থেকে বিপুল পরিমাণ স্বর্ণ খোয়া গেছে। এই স্বর্ণের জন্য তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে প্রাথমিক তদন্তে প্রমাণ পাওয়া গেছে। অপরদিকে নিহতের সঙ্গে কারো খুব বেশি ঘনিষ্ঠতা ছিল কিনা সেটাও খতিয়ে দেখেছে তদন্ত টিম। ঐ মোবাইল ফোনের কল লিস্ট থেকে তেমন কোন তথ্য পাওয়া যানি। তবে তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, ঘাতকরা নিহতের পরিচিতজন। ঐ বাসায় ঘাতকদের যাতায়াত ছিল। তারা পরিকল্পিতভাবেই তাকে হত্যা করেছে। হত্যার পর বাসা থেকে স্বর্ণালঙ্কার লুট করেছে। তবে ঘাতক নিশ্চিত না হওয়ায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।
রামপুরা থানার ওসি মাহবুবুর রহমান জানান, ঘটনার রহস্য উদঘাটনে থানা ও গোয়েন্দা পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে। হত্যাকাণ্ডের তদন্তে ঐ বাসার কাজের মহিলা সাবিহা বেগম এবং ঐ বাড়ির দারোয়ান আব্দুর রবকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। তাদের কাছ থেকে জানার চেষ্টা করা হয়েছে ঐ বাসায় তার কাছে কে কে আসতেন এবং তারা সাধারণত কোন সময় আসতেন। অপরদিকে হত্যাকাণ্ডের আগের ৪/৫ দিন ঐ বাসায় কে এসেছিলেন সেটা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এছাড়া নিহত ফাহমিদা পারিবারিক বিরোধ, প্রতিবেশির সঙ্গে বিরোধ এবং বাইরের কারো সঙ্গে কোন লেনদেন আছে কিনা সেটা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
