রাজধানীর বাড্ডা থানার গুদারাঘাট এলাকায় তিনজন গুলিবিদ্ধ ও পাঁচজন আহত হয়েছেন। ঘটনাস্থল থেকে আহত তিনজনসহ গ্রেফতার করা হয়েছে ৫ জনকে। মঙ্গলবার দুপুর সোয়া ১টার দিকে আফতাবনগর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
গুলিবিদ্ধ তিনজন হলেন—শাকিল, পিয়ার হোসেন ও শহিদুল ইসলাম। গ্রেফতারকৃত অন্য দুজনের নাম দিল মোহাম্মদ ও মো. দুলাল। এদের মধ্যে শাকিলের বাম পায়ে, পিয়ার হোসেনের ডান পায়ে এবং শহিদুল ইসলামের বাম পায়ে গুলিবিদ্ধ হয়েছে। গুলিবিদ্ধদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ছাড়া, আহত তিন পুলিশ সদস্যের মধ্যে বাড্ডা থানার ওসি (তদন্ত) কামরুল ফারুকও আছেন। অন্য দুজন হলেন পুলিশের কনস্টেবল।
পুলিশ জানিয়েছে—ঘটনার পর ‘ডাকাত’ দলের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ৩ হাজার ইউএস ডলার, আড়াই লাখ টাকা, আনুমানিক ১০ ভরি সোনা, দুটি গুলি ও গুলির খোসা, ২টি ক্যামেরা, ২টি মোবাইল ফোন, ২টি চাকু, ২টি চাপাতি, বড় একটি ধারালো ক্রিজ, ১টি ম্যাগাজিন এবং তাদের ব্যবহূত একটি প্রাইভেটকার।
বাড্ডা থানার ওসি (তদন্ত) কামরুল ফারুক জানান—বাড্ডা থানাধীন লিংকরোড গুদারাঘাটের ৬ নম্বর রোডের ৪ নম্বর বাড়িতে গাড়িচালক শহিদুল ‘ডাকাতি’ করতে ‘ডাকাত’দলের সদস্যদের ওই বাড়িতে নিয়ে আসে। ‘ডাকাতরা’ ওই বাসায় ‘ডাকাতি’ করার চেষ্টা করলে পুলিশ খবর পায়। এরপর পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছাতেই ‘ডাকাতরা’ পালিয়ে যেতে শুরু করে। পুলিশ তাদের ধাওয়া করে। তারা পালিয়ে আফতাবনগর এলাকায় পৌঁছালে ‘ডাকাতদের’ সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়।
গুলিবিদ্ধ শহিদুল ইসলাম জানান—তিনি ওই বাসার মালিক ফিরোজ আহমদের ব্যক্তিগত গাড়িচালক। পিয়ার হোসেন তার বেয়াই। পিয়ার হোসেন ও শাকিল দুপুরে তার সঙ্গে দেখা করতে আসে। এ সময় পুলিশ তাদের গুলি করে।
