উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান ক্রিস গেইলের ২১৫ রানের দানবীয় ইনিংসে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৩৭২ রান সংগ্রহ করেছে। গেইল ১৩৮ বল খেলে দুইশত রান পূর্ণ করেন। মাত্র ৩৩ বল খেলে পরের শত রান তুলে নেন তিনি। এর আগে গেইল ১০৫ বল খেলে তার ক্যারিয়ারের ২২তম শত রানের কোটা পূর্ণ করেন। এ সময় নয় হাজারি ক্লাবেও নাম লেখান এ বাঁহাতি ওপেনার।
তবে ইনিংসের শেষ মাসাকাজ্জার বলে চিগুম্বুরার গাতে ধরা দেন তিনি। স্যামুয়েলস ১৫৬ বল খেলে ১৩৩ রানে অপরাজিত থাকেন।
৩৭২ রানের জুটি ওয়ানডে ক্রিকেট ইতিহাসে সর্বোচ্চ জুটি। বিশ্বকাপ ইতিহাসেও এটি সর্বোচ্চ রানের পার্টনারশিপ।
এর আগে উদ্বোধনী জুটিতে ক্রিস গেইল ও ডোয়াইন স্মিথ ব্যাট করতে নেমেই পানিয়াঙ্গারার বলে বোল্ড হয়ে প্যাভিলিয়নে ফিরে যায় ডোয়াইন স্মিথ। এর পরই ক্যারিবিয়দের হাল ধরতে নামেন মারলন স্যামুয়েলস। গেইলের মারকুটে ব্যাটিং এর ওপর ভর করে ঠাণ্ডা মাথায় ব্যাট করতে থাকেন তিনি।
ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলে দুটি পরিবর্তন এসেছে। ড্যারেন ব্র্যাভো ও সুলেমান বেনের জায়গায় এসেছেন জোনাথন কার্টার ও নিকিতা মিলার। অপরদিকে জিম্বাবুয়ে দলে পরিবর্তন এসেছে একটি। সলোমন মায়ারের জায়গায় দলে এসেছেন স্টুয়ার্ট মাটসিকেনিয়ারি।
আয়ারল্যান্ডের কাছে চার উইকেটে বিধ্বস্ত হয়ে টুর্নামেন্ট শুরু করে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। কিন্তু পরের ম্যাচেই পাকিস্তানকে ১৫০ রানের বিশাল ব্যবধানে উড়িয়ে দিয়ে ছন্দে ফেরে ক্যারিবিয়রা। অন্যদিকে জিম্বাবুয়ে প্রথম ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে লড়াই করে হারার পর সংযুক্ত আরব আমিরাতকে হারিয়ে টুর্নামেন্টে নিজেদের প্রথম জয় তুলে নেয়।
জিম্বাবুয়ে স্কোয়াড: এলটন চিগুম্বুরা (অধিনায়ক), সিকান্দার রাজা, রেগিস চাকাবভা, তেন্দাই চাতারা, ক্রেইজ আরভিন, তাফাজ্জা কামুনগোজি, হ্যামিলটন মাসাকাদজা, স্টুয়ার্ট মাতসিকেনেরি, তিনাশে পানিয়াঙ্গারা, ব্রেন্ডন টেইলর(উইকেট কিপার) এবং শেন উইলিয়ামস।
ওয়েস্ট ইন্ডিজ স্কোয়াড: জেসন হোল্ডার (অধিনায়ক), মারলন স্যামুয়েলস, জোনাথন কার্টার, ক্রিস গেইল, নিকিতা মিলার, দিনেশ রামদিন (উইকেটকিপার), আন্দ্রে রাসেল, ড্যারেন স্যামি, লেনডল সিমন্স, ডোয়াইন স্মিথ ও জেরম টেইলর।
ওয়েস্ট ইন্ডিজ স্কোয়াড: জেসন হোল্ডার (অধিনায়ক), মারলন স্যামুয়েলস, জোনাথন কার্টার, ক্রিস গেইল, নিকিতা মিলার, দিনেশ রামদিন (উইকেটকিপার), আন্দ্রে রাসেল, ড্যারেন স্যামি, লেনডল সিমন্স, ডোয়াইন স্মিথ ও জেরম টেইলর।
