লেখক ও ব্লগার অভিজিৎ রায়ের মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজে দান করা হয়েছে। রবিবার বেলা একটার দিকে কলেজের অ্যানাটমি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক শামীম আরা মরদেহটি গ্রহণ করেন।
এর আগে সকালে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজেয় বাংলায় অভিজিৎকে শ্রদ্ধা জানানো হয়। সেখানে শেষ বারের মতো ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান অভিজিৎয়ের বন্ধু, স্বজন, শুভানুধ্যায়ী, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠন।
সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গ থেকে অভিজিৎ রায়ের মরদেহ প্রথমে তার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বুয়েটে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে শ্রদ্ধা জানানো শেষে তার মরদেহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজেয় বাংলার সামনে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাকে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হয়।
বৃহস্পতিবার রাতে অভিজিৎ ও তার স্ত্রী ডা. রাফিদা আফরিন বন্যা বাংলা একাডেমিতে একুশে বই মেলায় ঘুরতে আসেন। রাত সাড়ে সাড়ে নয়টার সময় তারা দুইজন টিএসসির সামনে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান সংলগ্ন ফুটপাতে হামলার শিকার হন তারা। ধারালো অস্ত্রের আঘাতে মৃত্যু হয় অভিজিৎয়ের। বন্যাকেও কুপিয়ে আহত করা হয়।
