ভাবিকে ধর্ষণ ও হত্যার দায়ে দেবরের ফাঁসি

আপডেট : ০১ মার্চ ২০১৫, ১৬:৫৫
 
ভাবিকে অপহরণের পর ধর্ষণ ও হত্যার দায়ে দেবরকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। একই সঙ্গে মামলার অপর দুই আসামিকে ১৪ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। রবিবার ঢাকার পঞ্চম নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক তানজীনা ইসমাইল এই আদেশ দেন।
আসামিরা হলেন-মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত মো. আলমগীর এবং কারাদণ্ডপ্রাপ্ত রিপন ও রাহিদ হাসান মিলন। মামলা চলাকালে তারা জামিনে ছিলেন। এদের মধ্যে আলমগীর ও রিপনকে রায় ঘোষণার পর আদালত থেকে কারাগারে পাঠানো হয়। আর মিলন পলাতক রয়েছেন।
মৃত্যুদণ্ডের পাশপাশি আলমগীরকে ১৪ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং এক লাখ জরিমানা, অনাদায়ে আরো দুই বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত।
মামলার নথি থেকে জানা যায়, ২০০৬ সালের ১৪ জুলাই সৌদি আরব প্রবাসী শাহ আলমের স্ত্রীকে ডাক্তার দেখানোর কথা বলে দোহারের জয়পাড়া এলাকায় নিয়ে যায় দেবর আলমগীর। এসময় আলমগীর এবং তার দুই বন্ধু রিপন ও মিলন তাকে অপহরণ করে। পরে তাকে ধর্ষণ ও হত্যা করে পেট কেটে ও গলায় ইট বেঁধে লাশ ইছামদী নদীতে ফেলে দেয়া হয়। এরপর ঐ নারীর গলিত লাশ উদ্ধার হলে পুলিশ। এ ঘটনায় নিহতের মা বাদী হয়ে দোহার থানায় মামলা করেন। পুলিশ তদন্ত শেষে তিনজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেয়।
আসামিদের মধ্যে দুজন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। ২১ জন সাক্ষীর জবানবন্দি শুনে আদালত আজ এই আদেশ দেয়।