আগামী ২০১৫-১৬ অর্থবছরের বাজেট নিয়ে অন্যতম প্রধান স্টেকহোল্ডার ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই প্রাথমিক কার্যক্রম শুরু করেছে। সংগঠনটি বিভিন্ন চেম্বার ও অ্যাসোসিয়েশনের কাছে বাজেট চেয়েছে। কিছু সংগঠন বাজেটের ওপর ইতিমধ্যে তাদের প্রস্তাব দিয়েছে। এ সব প্রস্তাব বিচার বিশ্লেষণ করে এফবিসিসিআইও রাজস্ব বোর্ড ও অর্থমন্ত্রণালয়ে তাদের চূড়ান্ত প্রস্তাব পেশ করবে। এ লক্ষ্যে সংগঠনের সভাপতি কাজী আকরাম উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে এক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আসছে বাজেট নিয়ে এফবিসিসিআইয়ের অবস্থান কী হবে, তা নিয়েও আলোচনা হয়েছে। বৈঠকে এফবিসিসিআইয়ের ঊর্ধ্বতন সহসভাপতি মনোয়ারা হাকিম আলী, সহসভাপতি হেলাল উদ্দিন ছাড়াও বিভিন্ন চেম্বার ও অ্যাসোসিয়েশনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
আয়কর, মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) ও শুল্ক খাত থেকে সরকার মূলত রাজস্ব আদায় করে থাকে। এফবিসিসিআই এ তিনটি খাতের জন্য আলাদা তিনটি উপকমিটি করেছে। ভ্যাট-বিষয়ক স্ট্যান্ডিং কমিটির প্রধান (ডাইরেক্টর ইন চার্জ) হলেন সংগঠনের পরিচালক আব্দুর রাজ্জাক, আয়কর বিষয়ক স্ট্যান্ডিং কমিটির প্রধান সাবেক সহসভাপতি মোস্তফা আজাদ চৌধুরী বাবু ও শুল্ক বিষয়ক স্ট্যান্ডিং কমিটির প্রধানের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে পরিচালক আব্দুল হককে।
চলতি অর্থবছরে সরকার বাজেটের আকার নির্ধারণ করেছিল ২ লাখ ৫০ হাজার ৫০৬ কোটি টাকা। এর মধ্যে রাজস্ব বোর্ড থেকে ১ লাখ ৪৯ হাজার ৭২০ কোটি টাকা আদায়ের লক্ষ্য ঠিক করা হয়েছিল। রাজস্ব বোর্ড-বহির্ভূত কর ৫ হাজার ৫৭২ কোটি টাকা এবং কর-বহির্ভূত প্রাপ্তির লক্ষ্য ঠিক করা হয়েছিল ২৭ হাজার ৬৬২ কোটি টাকা। আর ঘাটতি ধরা হয়েছিল ৬৭ হাজার ৫৫২ কোটি টাকা।
