ভানুয়াতুর পোর্ট ভিলার পোতাশ্রয়ে একটি কাল রঙের নৌযান অলস পড়ে আছে।আশপাশে উজ্জ্বল রঙের জেট স্কি সারিবদ্ধভাবে বাঁধা রয়েছে। ছোট ছোট নৌযানগুলো পরিষ্কার নীল আকাশের নিচে রৌদ্রোজ্জ্বল শান্ত পানিতে ভ্রমণ করার জন্য যেন পর্যটকদের আহ্বান জানাচ্ছে। সাইক্লোন প্যামের আঘাতে বিধ্বস্ত হওয়ার পর গ্রীষ্মকালীন স্বর্গ হিসেবে পরিচিত প্রশান্ত মহাসাগরের দ্বীপ রাষ্ট্র ভানুয়াতুর পর্যটন খাতের এখন এই অবস্থা।
ভানুয়াতুর নয়নাভিরাম দৃশ্যগুলো উপভোগ করার জন্য সেখানে কোন পর্যটক নেই। শুক্রবার রাতে প্রলয়ঙ্করী সাইক্লোন পাম আঘাত হানার পর থেকে পর্যটকরা দলে দলে বিভিন্ন বাণিজ্যিক ও সামরিক বিমানে ভানুয়াতু ছেড়ে চলে গেছেন।
ঝড়ের পর রাজধানীর বেশ কয়েকটি স্থানে এখনো বিদ্যুৎ সংযোগ পুনঃস্থাপন করা সম্ভব হয়নি। 'হলিডে ইন' এর মতো অতিথিশালাগুলো সন্ধ্যার পরই ডুবে যাচ্ছে অন্ধকারে।
ঝড়ের আঘাতের পর ভানুয়াতুর পর্যটন খাত এখন পুরোপুরি স্থবির হয়ে আছে। পর্যটকরা আবার দ্বীপটিতে ফিরে আসতে যে সময় লাগবে সেই সময়ের মধ্যে অনেক কর্মী তাদের জীবিকা হারিয়ে বেকার হয়ে পড়বে। কারণ পর্যটকের অভাবে মালিকপক্ষ তাদের ছাঁটাই করতে বাধ্য হবে।
ঝড়ের পর রাজধানীর বেশ কয়েকটি স্থানে এখনো বিদ্যুৎ সংযোগ পুনঃস্থাপন করা সম্ভব হয়নি। 'হলিডে ইন' এর মতো অতিথিশালাগুলো সন্ধ্যার পরই ডুবে যাচ্ছে অন্ধকারে।
ঝড়ের আঘাতের পর ভানুয়াতুর পর্যটন খাত এখন পুরোপুরি স্থবির হয়ে আছে। পর্যটকরা আবার দ্বীপটিতে ফিরে আসতে যে সময় লাগবে সেই সময়ের মধ্যে অনেক কর্মী তাদের জীবিকা হারিয়ে বেকার হয়ে পড়বে। কারণ পর্যটকের অভাবে মালিকপক্ষ তাদের ছাঁটাই করতে বাধ্য হবে।
নিজের নৌযানগুলোর পাশে দাঁড়িয়ে 'ইউ-পাওয়ার সি অ্যাডভেঞ্চার' এর ব্যবস্থাপক বব বেবে বলেন, ‘সাইক্লোন আঘাত হানার পর থেকে আমরা কোন পর্যটকের দেখা পাইনি'।
তিনি আরো বলেন, ‘এই ঝড় আমাদের পর্যটন শিল্পের ব্যাপক ক্ষতি করেছে। এখানকার অধিকাংশ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানই এখন বন্ধ রয়েছে। আমি মনে করি যে এগুলোর মধ্যে কয়েকটি স্থায়ীভাবেই বন্ধ হয়ে যাবে। বিশেষ করে ছোট নৌযান প্রতিষ্ঠানগুলো।’
তার কোম্পানিতে ৫ জন কর্মী ছিল। কিন্তু শুক্রবার রাতে পোর্ট ভিলায় সাইক্লোনের আঘাতে সবকিছু লণ্ডভণ্ড হয়ে যাওয়ার পর নৌযানগুলো দেখভাল করার জন্য এখন মাত্র দুজন কর্মী রয়েছে।
অস্ট্রেলীয় সরকারের তথ্য অনুযায়ী, ভানুয়াতুর অর্থনীতিতে পর্যটন খাতের প্রায় ৪০ শতাংশ অবদান রয়েছে। দ্বীপরাষ্ট্রটির জনসংখ্যা ২ লাখ ৬৭ হাজার। এর প্রায় এক-তৃতীয়াংশ পর্যটন খাতে কাজ করে।
ক্ষুদ্র এই দ্বীপরাষ্ট্রটি অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের সহায়তার ওপর নির্ভরশীল হওয়ায় দেশটির প্রধান আয়ের উৎস পর্যটন শিল্পের এই দুরবস্থা অস্ট্রেলিয়ার সরকারের জন্য প্রধান চিন্তার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।
ভানুয়াতুর ভূমি মন্ত্রী রাল্ফ রেগেনভানু এএফপিকে বলেন, ‘এটা পর্যটন খাতের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলতে যাচ্ছে। পর্যটন খাত এদেশের প্রধান আয়ের উৎস।’
তিনি আরো বলেন, ‘এই মুহূর্তে আমরা শুধু মানুষের বিশুদ্ধ পানি, আশ্রয় ওষুধ সরবরাহের বিষয়টিকেই প্রাধান্য দিচ্ছি। আমরা এই অবস্থা কাটিয়ে ওঠার পর পর্যটনসহ আবার আমাদের অর্থনীতির চাকা কিভাবে সচল করা যায় , তা নিয়ে চিন্তা করব।’
পর্যটন কোম্পানি তাদের নৌকাগুলোকে ভানুয়াতু থেকে অন্যত্র নিয়ে গেছে। এদের অনেকে পার্শ্ববর্তী নিউ ক্যালেডোনিয়ার ডকে তাদের নৌযানগুলো ভিড়িয়েছে।
পোর্ট ভিলার 'কোকোনাট পামস' রিসোর্টের রিসেপসনিস্ট মেরিলৌ নিদেরের (৩০) জানান, ঝড়ে আঘাতের কারণে সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যাওয়া হোটেলগুলোর বেকার হয়ে পড়া কর্মীদের মতো তিনিও একটি কাজ খুঁজছেন। সূত্র: এএফপি
তিনি আরো বলেন, ‘এই ঝড় আমাদের পর্যটন শিল্পের ব্যাপক ক্ষতি করেছে। এখানকার অধিকাংশ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানই এখন বন্ধ রয়েছে। আমি মনে করি যে এগুলোর মধ্যে কয়েকটি স্থায়ীভাবেই বন্ধ হয়ে যাবে। বিশেষ করে ছোট নৌযান প্রতিষ্ঠানগুলো।’
তার কোম্পানিতে ৫ জন কর্মী ছিল। কিন্তু শুক্রবার রাতে পোর্ট ভিলায় সাইক্লোনের আঘাতে সবকিছু লণ্ডভণ্ড হয়ে যাওয়ার পর নৌযানগুলো দেখভাল করার জন্য এখন মাত্র দুজন কর্মী রয়েছে।
অস্ট্রেলীয় সরকারের তথ্য অনুযায়ী, ভানুয়াতুর অর্থনীতিতে পর্যটন খাতের প্রায় ৪০ শতাংশ অবদান রয়েছে। দ্বীপরাষ্ট্রটির জনসংখ্যা ২ লাখ ৬৭ হাজার। এর প্রায় এক-তৃতীয়াংশ পর্যটন খাতে কাজ করে।
ক্ষুদ্র এই দ্বীপরাষ্ট্রটি অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের সহায়তার ওপর নির্ভরশীল হওয়ায় দেশটির প্রধান আয়ের উৎস পর্যটন শিল্পের এই দুরবস্থা অস্ট্রেলিয়ার সরকারের জন্য প্রধান চিন্তার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।
ভানুয়াতুর ভূমি মন্ত্রী রাল্ফ রেগেনভানু এএফপিকে বলেন, ‘এটা পর্যটন খাতের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলতে যাচ্ছে। পর্যটন খাত এদেশের প্রধান আয়ের উৎস।’
তিনি আরো বলেন, ‘এই মুহূর্তে আমরা শুধু মানুষের বিশুদ্ধ পানি, আশ্রয় ওষুধ সরবরাহের বিষয়টিকেই প্রাধান্য দিচ্ছি। আমরা এই অবস্থা কাটিয়ে ওঠার পর পর্যটনসহ আবার আমাদের অর্থনীতির চাকা কিভাবে সচল করা যায় , তা নিয়ে চিন্তা করব।’
পর্যটন কোম্পানি তাদের নৌকাগুলোকে ভানুয়াতু থেকে অন্যত্র নিয়ে গেছে। এদের অনেকে পার্শ্ববর্তী নিউ ক্যালেডোনিয়ার ডকে তাদের নৌযানগুলো ভিড়িয়েছে।
পোর্ট ভিলার 'কোকোনাট পামস' রিসোর্টের রিসেপসনিস্ট মেরিলৌ নিদেরের (৩০) জানান, ঝড়ে আঘাতের কারণে সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যাওয়া হোটেলগুলোর বেকার হয়ে পড়া কর্মীদের মতো তিনিও একটি কাজ খুঁজছেন। সূত্র: এএফপি
