বড় ভাইয়ের এসএসসির সার্টিফিকেট জাল করে দীর্ঘদিন ধরে প্রাইমারি স্কুলে চাকুরি করার অভিযোগে উপজেলাবাসীর পক্ষ থেকে খুলনা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন দফতরে অভিযোগ করা হয়েছে। লিখিত অভিযোগে বলা হয়েছে, উপজেলার কুখিয়া গ্রামের নবেদ আলী শেখের বড় ছেলে হাসমত আলী উপজেলার একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে ১৯৭৭ সালে এস এস সি পাশ করেন। তিনি এস এম হাবিবুর রহমান নাম নিয়ে ১৯৮৪ সালে যশোরের একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে বাণিজ্য শাখায় এসএসসি পরীক্ষা দিয়ে ২য় বিভাগে পাশ করেন।
লিখিত অভিযোগে আরো বলা হয়, হাসমতের ১৯৮৪ সালে হাবিবুর রহমান নামধারী সার্টিফিকেট নিয়ে তার আপন ছোট ভাই হাফিজুর রহমান উপজেলার মাঠের হাট সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ১৯৮৪ সাল থেকে সহকারি শিক্ষক হিসেবে চাকরি করে আসছেন।
অপরদিকে হাসমত খুলনা জেলার দাকোপ উপজেলার হিসাব রক্ষণ পদে কর্মরত আছেন।
এলাকাবাসীর অভিযোগের প্রেক্ষিতে দু’দফা তদন্তে সনদ জালিয়াতি ধরা পড়েছে বলে জানা গেছে। এ ব্যাপারে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা অশোক কুমার সমাদ্দার বলেন, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর ঢাকার মহা পরিচালকের পক্ষে সহকারী পরিচালক (পলিসি-১) এইচ এম খালিদ ইফতেখার শিক্ষক হাবিবুর রহমানের মুল নিয়োগপত্র, শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদের কপিসহ চাকরির বই প্রেরণ করতে বলেছেন যা এখন প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
খুলনা জেলার ডেপুটি ডিভিশনাল কন্ট্রোলার অব এ্যাকাউন্টস মোর্তজা হাসান ইফতেখার ইত্তেফাককে বলেন, বিষয়টি তদন্ত ছাড়া পরিষ্কার করা সম্ভব নয়।
উল্লেখ্য হাসমত আলী ১৯৮৩ সালে খুলনা জেলার মুনসেফ আদালতে ৩৩ নম্বর একটি মিস কেসের জবানবন্দীতে নিজেকে এস এম হাবিবুর রহমান বলে উল্লেখ করেছেন।
