জয়পুরহাটে বিচারক স্বল্পতার কারণে মামলার জট খুলছে না দীর্ঘদিনেও। বর্তমানে ১৩ হাজারের বেশি মামলা বিচারাধীন রয়েছে। সেখানে একজন বিচারককেই ৫টি আদালতের দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে।
আদালত সূত্র জানায়, কালাই উপজেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত সহকারী জজ শহিদুল ইসলাম বর্তমানে জয়পুরহাট সদর, পাঁচবিবি, আক্কেলপুর ও ক্ষেতলাল উপজেলার অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন। যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ (১) হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী বিচারককে দুই কোর্টের বিচার কার্যক্রম পরিচালনায় হিমশিম খেতে হচ্ছে বর্তমানে।
অপরদিকে, অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ এবং জেলা ও দায়রা জজ আদালতে ৩ হাজারের বেশি মামলা বিচারাধীন রয়েছে। প্রতিদিন গড়ে ৩০ থেকে ৪০টি মামলার শুনানী করতে হয়। এখানে আপিল মামলা শুনানীর সময় নিয়মিত মামলার শুনানী পিছিয়ে যায়। আবার নিয়মিত মামলার শুনানীর সময় আপিল মামলা শুনানী পিছিয়ে যায়। ফলে মামলার সংখ্যা বাড়তেই থাকে।
সদর উপজেলার পেঁচুলিয়া গ্রামের ইসমাইল হোসেন বলেন, জমাজমি সংক্রান্ত মামলা করে সাত বছর থেকে আদালতে ঘুরছেন। মামলার শুনানী কম হয়, শুধু তারিখ বদল হয় বলে জানান তিনি।
আউস গাড়া থেকে আসা ৬৫ বছর বয়সের সমিরন বেওয়া বলেন, বাটোয়ারা মামলা করেছেন ১২ বছর হয়েছে। শুনানীর চেয়ে তারিখ পড়ে বেশি বলে জানান তিনি।
বিচারক স্বল্পতার কারণে বিচার কার্যক্রমের সাথে জড়িত প্রত্যেকেই অসুবিধার সম্মুখীন হচ্ছেন নানাভাবে এবং বিচার কাজ সুষ্ঠুভাবে চলছে না বলে জানালেন জয়পুরহাট জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক এ্যাডভোকেট আবু নাসিম মো:শামীমূল ইমাম শামীম। তিনি দ্রুত নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালতের জন্য আলাদা বিচারক নিয়োগের দাবি জানান।
