জনবল সংকট ও সরকারি সবধরনের লেনদেনের কারণে কাজের চাপ বেশি হওয়ায় মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা সোনালী ব্যাংক শাখায় গ্রাহকরা চরম ভোগান্তিতে রয়েছেন।
পাতারহাট মুসলিম স্কুল সড়কের খন্দকার মার্কেটের দোতলা ভবনে একটি কক্ষে মেহেন্দিগঞ্জ সোনালী ব্যাংকের শাখা। এর মধ্যেই ক্যাশ কাউন্টার, ব্যবস্থাপকের কার্যালয় ও টাকা রাখার ভোল্ট। এ শাখা থেকে উপজেলার সব সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন, উন্নয়নমূলক কাজের বিল, অবসর ভাতা এবং বয়স্ক ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা, মুক্তিযোদ্ধা ভাতা, বিধবা ভাতা, আনন্দ স্কুলের শিক্ষকদের বেতন ভাতা উত্তোলন করা হয়। এছাড়া অনেকে ব্যক্তিগত হিসাবে লেনদেন করেন। ব্যবসায়ীরা ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ডিডি ও টিটি করে থাকে। প্রতিদিন গড়ে এ শাখা থেকে ৭শ’ থেকে ৮শ’ গ্রাহক সেবা নেন। প্রতি বৃহস্পতিবার ব্যাংকের এ শাখায় গ্রাহকদের উপচে পড়া ভিড় দেখা গেছে।
টিটিডিসি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক মাকসুদুর রহমান জানান, উপজেলা শহরে সোনালী ব্যাংকের একটি শাখা হওয়ায় এবং লোকবল কম থাকায় আমরা চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছি।
মেহেন্দিগঞ্জ শাখার ব্যবস্থাপক ছাইদুর রহমান জানান, এই ব্যাংক থেকে সব ধরনের সরকারি লেনদেন হওয়ায় গ্রাহকের কিছুটা সমস্যা হচ্ছে। এছাড়া জনবল সংকটতো আছে। বর্তমানে এ শাখায় ৯ জন কর্মকর্তা কাজ করছে। এখানে আরো পাঁচজন কর্মকর্তা প্রয়োজন।
ডিজিএম এম এ শফিক বলেন, নতুন লোক নিয়োগ হলেই সংকট ও ভোগান্তি লাঘব হবে। আমি সোমবারের মধ্যে একজন কর্মকর্তাকে এ শাখায় নিয়োগ দিবো।
