ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) চেয়ারম্যান বিচারপতি ছিদ্দিকুর রহমান মিয়া বলেছেন, ‘চলমান পরিস্থিতিতে দেশের পুঁজিবাজার একটি অস্বাভাবিক সময় অতিক্রম করছে। এ অবস্থা থেকে বাজারে উত্তরণ কী ভাবে ঘটানো যায়, সে বিষয়ে সকলের সহযোগিতা ও পরামর্শ জরুরি।’ মঙ্গলবার ডিএসইর পরিচালনা পর্ষদের সাথে শীর্ষ ৫০ ব্রোকারেজ হাউজের প্রতিনিধি, ডিএসইর সাবেক চেয়ারম্যান ও সিনিয়র সদস্যদের সাথে চলমান বাজার পরিস্থিতি নিয়ে এক বৈঠকে তিনি এ মন্তব্য করেন।
ডিএসইর ব্যবস্থাপনা পরিচালক অধ্যাপক ড. স্বপন কুমার বালা ২০১৪ সালের প্রথম তিন মাস এবং ২০১৫ সালের প্রথম তিন মাসের তুলনামূলক বাজারচিত্র তুলে ধরেন এবং ডিএসই কর্তৃক গৃহীত কিছু পদক্ষেপ উপস্থাপন করেন।
বর্তমান বাজার পরিস্থিতি থেকে উত্তরণ এবং ভবিষ্যতে বাজারকে শক্ত ভিত্তির ওপর দাঁড় করাতে ব্যাংকের মোট বিনিয়োগের পরিমাণ ক্রমান্ব্বয়ে নির্ধারিত সীমার মধ্যে নামিয়ে আনার সময়সীমা জুন ২০১৬ সাল থেকে বাড়িয়ে ২০১৮ সাল পর্যন্ত করার প্রস্তাব করেন। এ ছাড়া, ব্রোকারেজ হাউজের শাখা অফিস খোলা, ফিন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং আইন পাস করে তা দ্রুত বাস্তবায়ন, পুঁজিবাজারের জন্য বেইল আউট তহবিল গঠন, মার্কেট মেকার সৃষ্টির উদ্যোগ গ্রহণ, ডিএসইকে লাভজনক প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে নতুন প্রোডাক্ট চালু, পুঁজিবাজারে আসা নতুন কোম্পানির সুশাসন ও গুণগতমান বৃদ্ধির জন্য কোম্পানি কর্তৃক বাই ব্যাক আইন প্রণয়ন, শেয়ার নেটিং পদ্ধতি চালু, সিডিবিএল এর উন্নয়ন এবং পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ বৃদ্ধির প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের বিষয়ে প্রস্তাব করেন।
ডিএসইর চেয়ারম্যান পর্যায়ক্রমে ধারাবাহিকভাবে সব ট্রেকহোল্ডারসহ পুঁজিবাজারের সব পক্ষের সাথেই বৈঠক করবেন বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
সভায় উপস্থিত ছিলেন—ডিএসইর পরিচালক মিসেস মনোয়ারা হাকিম আলী, জনাব রুহুল আমিন, ওয়ালিউল ইসলাম, খাজা গোলাম রসূল, শরীফ আনোয়ার হোসেন, ডিএসইর সাবেক প্রেসিডেন্ট মো. রকিবুর রহমান এবং আহসানুল ইসলাম টিটু এবং ব্রোকারেজ হাউজের প্রতিনিধিবৃন্দ।
