যুক্তরাজ্য সফরে শিল্পমন্ত্রী

আপডেট : ২৮ মার্চ ২০১৫, ১৫:৫৬
 
 শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমুর নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের এক প্রতিনিধিদল উন্নত দেশগুলোর মান অবকাঠামো ও গুণগত মাননীতি সম্পর্কে অভিজ্ঞতা অর্জনের জন্য আজ যুক্তরাজ্যের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেছেন। 
 
প্রতিনিধিদল আগামী ১১ এপ্রিল পর্যন্ত যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার বিভিন্ন মান ইনস্টিটিউট, অ্যাক্রেডিটেশন সংস্থা এবং গবেষণাগার পরিদর্শন করবেন। শিল্প মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে শনিবার একথা বলা হয়।
 
পরিকল্পনা কমিশনের শিল্প ও শক্তি বিভাগের সদস্য এস এম গোলাম ফারুক, বিএসটিআই’র মহাপরিচালক ইকরামুল হক, আইএমইডি’র প্রধান শেখ নজরুল ইসলাম, শিল্প মন্ত্রণালয়ের উপ-প্রধান মু. আনোয়ারুল আলম এবং মন্ত্রীর সহকারী একান্ত সচিব এফ এম মাহমুদ প্রতিনিধিদলে রয়েছেন। 
 
প্রতিনিধিদল ২৮ থেকে ৩১ মার্চ লন্ডনে অবস্থিত ব্রিটিশ স্ট্যান্ডার্ড ইনস্টিটিউটশন এবং ইউনাইটেড কিংডম অ্যাক্রেডিটেশন সার্ভিস পরিদর্শন করবেন। পরিদর্শনকালে তারা সংস্থাগুলোর কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময় করবেন। 
 
প্রতিনিধি দল ১ থেকে ৭ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থিত ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেকনোলজিসহ অন্যান্য মান সংস্থা ও গবেষণাগার পরিদর্শন করবেন। পরিদর্শনকালে তারা এসব প্রতিষ্ঠানের মানোন্নয়ন সম্পর্কিত তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করবেন। এর পাশাপাশি তারা বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে মান অবকাঠামোর উন্নয়নে প্রতিষ্ঠানগুলোর বর্তমান কর্মকান্ড ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে অবহিত হবেন। 
 
প্রতিনিধিদলটি ৮ থেকে ১১ এপ্রিল কানাডার অটোয়ায় অবস্থিত কানাডিয়ান অ্যাসোসিয়েশন ফর ল্যাবরেটরি অ্যাক্রেডিটেশনের কার্যালয় পরিদর্শন করে সংস্থার কার্যক্রম সম্পর্কে সম্যক ধারণা নেবেন। এ সময় তারা স্থানীয় শিল্প উদ্যোক্তা, মান গবেষক ও পরীক্ষকসহ সংশ্লিষ্টদের সাথে মতবিনিময় করবেন। 
উল্লেখ্য, ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের আর্থিক এবং ইউনিডো ও নোরাডের কারিগরি সহায়তায় বান্তবায়নাধীন ‘বেটার ওয়ার্ক অ্যান্ড স্ট্যান্ডার্ডস প্রোগ্রাম’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় এ সফরের আয়োজন করা হয়েছে। বাংলাদেশে উৎপাদিত পণ্য ও সেবার গুণগতমান বিশ্বমানে উন্নীত করতে উন্নত দেশগুলোর আদলে প্রয়োজনীয় নীতি ও অবকাঠামোগত সংস্কার ও উন্নয়নের কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ এ সফরের অন্যতম লক্ষ্য। 
 
উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধিদলের এ সফরের ফলে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও কানাডায় পণ্য ও সেবার গুণগত মানোন্নয়নে গৃহিত উদ্যোগ সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যাবে। এর পাশাপাশি এসব দেশে স্থাপিত মান অবকাঠামো সম্পর্কে অভিজ্ঞতা অর্জন সম্ভব হবে। এ অভিজ্ঞতার আলোকে বাংলাদেশে বিশ্বমানের মান অবকাঠামো গড়ে তোলা সহজ হবে। এছাড়া, সরেজমিনে পরিদর্শনের মাধ্যমে লব্ধ জ্ঞান ও সুপারিশ বাংলাদেশের জাতীয় গুণগতমান (পণ্য ও সেবা) নীতি, ২০১৫ চূড়ান্তকরণ ও বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে। 
 
শিল্পমন্ত্রীর নেতৃত্বে প্রতিনিধিদল ১৩ এপ্রিল দেশে ফিরবেন বলে আশা করা হচ্ছে।