‘দুদক সরকারি অধিদপ্তর হিসেবে কাজ করছে’

আপডেট : ০১ এপ্রিল ২০১৫, ১৯:৫৫
 
 
 
‘দুর্নীতি দমন কশিমন (দুদক) সরকারের অধিদপ্তর হিসেবে কাজ করে যাচ্ছে। সেখান থেকে দুদককে সরে আসতে হবে।’ মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার ড. এ টি এম শামসুল হুদা। দুর্নীতি প্রতিরোধ সপ্তাহ-২০১৫ উদ্যাপন উপলক্ষে বুধবার দুপুরে দুদকের কনফারেন্স রুমে আয়োজিত ‘রাজনৈতিক অঙ্গীকার ও প্রশাসনিক সংস্কার, দুয়ে মিলে হতে পারে দুর্নীতির প্রতিকার’ শীর্ষক এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ সব কথা বলেন।
সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, ‘আমি একটি কমিশনের প্রধান ছিলাম। আমি যেটা বুঝতে পারি, কাগজে-কলমে স্বাধীন বলা হলেও দুদক স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারছে না। যেমন আমরা (নির্বাচন কমিশন) যে বাজেট চাই সরকার সে বাজেট দেয়। আপনারা যে বাজেট চান সরকারের কাছে তা কি পান—পান না। তা হলে কী ভাবে আপনারা স্বাধীন? বাস্তবে দুদক একটি অধিদপ্তর। বর্তমানে দুদক সরকারের অধিদপ্তর হিসেবে কাজ করছে। সেখান থেকে দুদককে সরে আসতে হবে।’
দুদক চেয়ারম্যান মো. বদিউজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার ড. এ টি এম শাসসুল হুদা, বিশেষ অতিথি দুদক কমিশনার (তদন্ত) মো. সাহাবুদ্দিন চুপ্পু, কমিশনার (অনুসন্ধান) ড. নাসিরউদ্দীন আহমেদ, ব্যারিস্টার আমিনুল ইসলাম, সাবেক রাষ্ট্রদূত এম. জমির, সাবেক সচিব ইনাম আহমেদ চৌধুরী, কলামিস্ট সৈয়দ আবুল মকসুদ, অধ্যাপক মাহফুজা খানম, মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের অধ্যাপক ড. তোফায়েল আহমেদ, সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য আব্দুল মান্নান, সাবেক রাষ্ট্রদূত হুমায়ুন কবির, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব রামেন্দু মজুমদার, তথ্য কমিশনার নেপাল চন্দ্র সরকার, সিনিয়র সাংবাদিক রাহাত খান, সোহরাব হাসান, কাজী সিরাজুল ইসলাম, মিডিয়া ব্যক্তিত্ব মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর প্রমুখ।