বান্দরবানের সংরক্ষিত বন থেকে গাছ কেটে নিচ্ছে চোরাকারবারীরা

আপডেট : ২৪ এপ্রিল ২০১৫, ০১:২২

বান্দরবানে উজাড় হচ্ছে সংরক্ষিত বনাঞ্চল। সরকারি বনায়নের মূল্যবান গাছ কেটে ব্যক্তিমালিকানাধীন বাগানের নামে জোত পারমিট ইস্যু করে পাচার করা হচ্ছে। জেলার রোয়াংছড়ির পাইক্ষ্যং রেঞ্জ, রুমার পাইন্দু রেঞ্জ এবং বেতছড়া রেঞ্জের আওতাধীন সংরক্ষিত বনাঞ্চলের কোটি কোটি টাকার মূল্যবান গাছ ইতিমধ্যে কেটে নিয়ে গেছে চোরাকারবারীরা।

 
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, বনবিভাগের দুইটি ডিভিশনের তত্ত্বাবধানে ১৯৮১ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত বান্দরবান সদর, রুমা রোয়াংছড়ি ও থানছি উপজেলায় হাজার হাজার একর পাহাড়ি জমিতে সেগুন, গামারি, চম্পা, কড়ই’সহ নানা প্রজাতির গাছ লাগানো হয়েছিল। এই সংরক্ষিত বনাঞ্চল গড়ে তুলতে সরকারিভাবে প্রচুর অর্থ ব্যয় করা হয়।
 

বর্তমানে বান্দরবান বন বিভাগের  রুমা ময়ূরপাড়া, পাইন্দু খালের ঝিরিমুখ, কৈক্ষ্যংঝিরি, বেতছড়া, খানসামা, ছাইঙ্গা বড়ইতলী পাড়া, পলি রেঞ্জ’সহ বিভিন্ন বনাঞ্চলের মূল্যবান গাছ কেটে নিয়ে যাচ্ছে চোরাকারবারী চক্র। স্থানীয়দের কাছ থেকে অবৈধ চোরাই গাছ কেনার পর কাঠ চোরাকারবারীরা সড়ক ও নৌ-পথে পরিবহন করে  সেগুলো মজুদ করে জেলা সদরের স’-মিলগুলোতে। স্থানীয়দের অভিযোগ চোরাইপথে আনা অবৈধ কাঠ স’-মিলগুলোতে রাখার পর তা বৈধ হয়ে যায়। পরবর্তীতে চোরাকারবারীরা বেশিদামে প্রভাবশালী বড় বড় কাঠ ব্যবসায়ীদের কাছে এই কাঠ বিক্রি করে দেয়। তারা ব্যক্তিমালিকানাধীন বাগানের নামে ইস্যু করা জোত পারমিট দিয়ে এই কাঠ দেশের বিভিন্নস্থানে পাচার করে।