মালদ্বীপে সাবেক প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ নাশিদের মুক্তির দাবিতে বিক্ষোভের পর সরকার গণগ্রেফতার চালিয়েছে। গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে বিরোধী রাজনীতিবিদও রয়েছে। শনিবার সরকারি কর্মকর্তা ও অ্যাক্টিভিস্টরা একথা জানান।
সরকার জানায়, গতরাতের বিক্ষোভ সহিংসতায় রূপ নেয়। বিক্ষোভকালে নাশিদের অনুগতদের সাথে সংঘর্ষে কয়েকজন পুলিশ আহত হয়।
উল্লেখ্য, গত মাসে নাশিদের ১৩ বছরের সাজা হয়।
সরকারি এক বিবৃতিতে বলা হয়, বিক্ষোভের আয়োজকরা বিক্ষোভকারিদের উদ্দেশে বক্তব্য দেন। তারা সরকার পতনে সকলকে সমবেত হতে এবং পুলিশকে মোকাবেলার আহবান জানান।
বিবৃতিতে বলা হয়, এ সময় বিক্ষোভস্থল থেকে অনেককে গ্রেফতার করা হয়। তবে কতজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে সে ব্যাপারে বিবৃতিতে কিছু উল্লেখ করা হয়নি।
নাশিদের মালদ্বীপ গণতান্ত্রিক দল (এমডিপি) জানায়, শুক্রবার রাত থেকে পুলিশ ১৭০ জনের জনেরও বেশি লোককে গ্রেফতার করেছে।
দলটি আরো জানায়, সেখানে এ বিক্ষোভ-সমাবেশে প্রায় ২৫ হাজার লোক অংশ নেয়। নাশিদের সাজার পর থেকে মালদ্বীপে এটি ছিল সবচেয়ে বড় ধরণের বিক্ষোভের ঘটনা।
এমডিপির এক বিবৃতিতে বলা হয়, প্রেসিডেন্ট আব্দুল্লা ইয়ামীনের কর্তৃত্বপরায়ণ শাসন দিনদিন বেড়ে যাওয়ায় পুলিশ বিক্ষোভকারিদের ছত্রভঙ্গ করতে কাঁদনে গ্যাস, লাঠি চার্জ ও স্টান গ্রেনেড ব্যবহার করছে এবং গণগ্রেফতার চালাচ্ছে।
তবে রাজধানী মালের রাজপথ শনিবার সকালে অনেকটা শান্ত দেখা যায়।
শুক্রবার রাতের এ বিক্ষোভ মধ্যরাতের পর পর্যন্ত চলে। এদিকে জাতিসংঘ ‘বড় ধরণের প্রহসনের এক বিচারের’ মধ্যদিয়ে সাবেক প্রেসিডেন্টকে সাজা দেয়ায় মালদ্বীপ কর্তৃপক্ষের কঠোর সমালোচনা করেছে।
